ঘূর্ণিঝড় আমফানে টানা ১০ দিন বিদ্যুৎবিহীন সাতক্ষীরার কলারোয়া ও পাটকেলঘাটার অনেক এলাকা

ঘূর্ণিঝড় আমফানে টানা ১০ দিন বিদ্যুৎবিহীন সাতক্ষীরার কলারোয়া ও পাটকেলঘাটার অনেক এলাকা। এসব এলাকায় মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বন্ধ হয়ে গেছে। এগুলো সচল রাখতে এখন ভরসা জেনারেটর। জেনারেটরের ঘরে এখন সারি সারি মোবাইল, টর্চলাইট। দোকানে কিংবা ইঞ্জিনভ্যানযোগে ভ্রাম্যমান পদ্ধতিতেও চার্জের কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
জানা গেছে, প্রতিটি বাটন মোবাইল ফোন, টার্চ ফোন ও টর্চ লাইট চার্জ দিতে নেওয়া হচ্ছে ৩০ টাকা। আবার কোনো কোনো এলাকায় মোবাইল ফোন চার্জে ২০ টাকাও নেওয়া হচ্ছে।
প্রতিদিন ২ থেকে ৩’শ মোবাইল চার্জ দেওয়া হচ্ছে জেনারেটরের মাধ্যমে। চার্জে বসানো মোবাইল ফোন বা টর্চলাইটে গ্রাহকের নাম ও নম্বর লিখে রাখা হচ্ছে। যাতে যার জিনিস তার হাতে তুলে দেওয়া যায় সেজন্য।
কলারোয়া উপজেলার কাকডাঙ্গা মোড়, বোয়ালিয়া, ফকির পাড়ার মোড়, শাকদাহ, যুগিখালী, বুইতা, মাদরা, গয়ড়া, বুঝতলাসহ বিভিন্ন এলাকায় এমনিভাবে চার্জ দেওয়ার কাজ চলছে।

শামিম নামের এক ব্যাটারি চার্জারের দোকানদার বলেন, এতে দিন শেষে হাজার খানেক টাকা লাভ থাকছে। একই সাথে মানুষজনদেরও সুবিধা হচ্ছে।
উপজেলার কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের কাকডাঙ্গা বাজারের শফি নিজের দোকানে বাণিজ্যিকভাবে বিভিন্ন ব্যাটারিতে চার্জ দিচ্ছেন। এতে তিনিও লাভবান হচ্ছেন।
এদিকে, কলারোয়ার পার্শ্ববর্তী তালা উপজেলার ধানদিয়া ইউনিয়নটিও ১০ দিন ধরে বিদ্যুৎবিহীন রয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এলাকাবাসী একাধিকবার পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তাদের বিষয়টি অবগত করলেও তারা অদ্যবধি কোন পদক্ষেপ নেয় নি। বিষয়টি এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। এসব এলাকার মানুষজন তাদের মোবাইল ফোনসহ অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স মেশিন কলারোয়ায় নিয়ে জেনারেটরে চার্জ দিয়ে আনছেন।
সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম (কারিগরী) প্রকৌশলী মাসুম আহম্মেদ বলেন, ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থ বিদ্যুৎ লাইনে কাজ চলছে।

     More News Of This Category

Our Like Page