Logo
আজঃ Sunday ২৬ June ২০২২
শিরোনাম
পবিপ্রবিতে বিশ্ব সমুদ্র দিবস পালিত অপহরণের ৩ মাস ২০ দিন পর মরদেহ উদ্ধার, মেম্বারসহ গ্রেফতার ৩ চির যৌবনপ্রাপ্ত হওয়ার নেশায় বৃদ্ধাকে হত্যা করে পুরুষাঙ্গ, অন্ডকোষ, চোখ তুলে নেওয়া খুনি ও হুকুমদাতা গ্রেফতার পবিপ্রবিতে বরিশাল বিভাগীয় রোভার মেট ওয়ার্কশপে’র উদ্বোধন ঝিনাইদহে মিছিলে গুলি ও সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে আ’লীগের বিরাট প্রতিবাদ সমাবেশ কেশবপুরে ধুমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ত্রণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত চৌগাছায় পুলিশের হাতে ২'শত ফেনসিডিলসহ ২ জন গ্রেফতার দলের সিদ্ধান্ত অমান্য পদ পদবি গোপন করে পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি নেতারা ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক নওগাঁয় চাঁদার টাকা না পেয়ে চুরি আঘাত করে হত্যা চেষ্টা বাবা-ছেলেকে, পলাতক আসামী!

দুমকিতে সরকারি খাবার স্যালাইন হাসপাতালের ডাস্টবিনে

প্রকাশিত:Tuesday ২৪ May ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৬৬জন দেখেছেন
মোঃ জাহিদুল ইসলাম (দুমকি উপজেলা প্রতিনিধি)

Image


 মোঃ জাহিদুল ইসলাম, দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর দুমকিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে'র মেয়াদ থাকা সত্ত্বে ও বেশ কিছু খাবার স্যালাইন ডাস্টবিনে ফেলে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।  এ ঘটনায় অভিযুক্ত ওয়ার্ড ইনচার্জ আয়শা মারজানকে কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া হয়েছে। 

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে'র রোগীদের জন্য বরাদ্দকৃত মেয়াদ আছে এমন কিছু সরকারি খাবার স্যালাইন ডাস্টবিনে পড়ে আছে। কিছু লোক মেয়াদ থাকায় স্যালাইন গুলো কুড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

 হাসপাতালের স্টোর ইনচার্জ রুহুল আমীন  বলেন, আমার এখান থেকে ওয়ার্ড ইনচার্জ আয়শা মারজান ওরাল স্যালাইন তার ওয়ার্ডে নিয়ে গেছেন। তিনি তারপর কি করেছেন তা তো আমি জানি না। 

 ওয়ার্ড ইনচার্জ আয়শা মারজান বলেন, আমি জ্ঞাতসারে কোথাও ওরাল স্যালাইন ফেলিনি। সেবিকা রুমের একটা কাটনে স্যালাইন গুলো থাকতে পারে, অসাবধানতা বশত ক্লিনার বা পরিচ্ছন্ন কর্মী অন্যান্য  ময়লা-আবর্জনার সাথে স্যালাইন গুলো  ডাস্টবিনে ফেলে আসতে পারে। 

 ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডাঃ মীর শহিদুল ইসলাম শাহীন  বলেন, কেন সরকারি ওরাল স্যালাইন ময়লার ভাগাড়ে ফেলা হয়েছে তার কারন জানতে চেয়ে আয়শা মারজানকে শোকজ করা হয়েছে।

 উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল ইমরান বলেন, আমি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছি। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সাথে আলোচনা করে বিধি অনুযায়ী পদক্ষেপ নেয়া হবে।


আরও খবর



রাজারহাটে পরিত্যক্ত অবস্থায় গুলি-ম্যাগাজিন উদ্ধার

প্রকাশিত:Monday ৩০ May ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৮৩জন দেখেছেন
মোঃ হামিদুল ইসলাম কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি

Image



     মোঃহামিদুল ইসলাম

 কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনধি


 

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় রাস্তার উপর থেকে পুলিশ পরিত্যক্ত অবস্থায় ৯ রাউন্ড গুলি, একটি  ম্যাগাজিন ও চার্জার গার্ড উদ্ধার করেছে । 


রবিবার ,২৯ মে রাত প্রায় ১২টার দিকে রাজারহাট-তিস্তা সড়কের হরিচরণ এলাকা থেকে এসব  উদ্ধার করা হয়।


পুলিশ জানা যায়, রবিবার রাত ১২টার দিকে রাজারহাট থানার টহল দলের পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) শরিফুল ইসলাম, উপ-পরিদর্শক (এসআই) জহুরুল ইসলাম ও এএসআই রাফিউল আমিন রাজারহাট-তিস্তা সড়ক অদিতা সুধী কানন ফিলিং স্টেশন  সংলগ্ন সড়কে ৯ রাউন্ড থ্রি নট থ্রি রাইফেলের গুলি,একটি ম্যাগাজিন,একটি চার্জার গার্ড, পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।


রাজারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজু সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রোববার রাতে টহল দলের সদস্যরা রাস্তার উপর  পরিত্যক্ত অবস্থায় ৯ রাউন্ড গুলি,একটি  ম্যাগাজিন ও চার্জার গার্ড উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে,ধারনা করা হচ্ছে কেউ না, কেউ এসব নিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তায় ফেলে গেছে।


আরও খবর



কেশবপুরের টপ শীর্ষ সন্ত্রাসী জামাল থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার

প্রকাশিত:Monday ৩০ May ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৯৮জন দেখেছেন
শেখ মোস্তফা কামাল(যশোর জেলা প্রতিনিধি)

Image



শেখ মোস্তফা কামাল যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ-


কেশবপুর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে পৌর শহরের ত্রাসসৃষ্টিকারী, দূর্ধর্ষ চাঁদাবাজ এবং একাধিক মামলার আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী জামাল শেখ (৩৩) কে গ্রেফতার করেছে। রবিবার (২৯মে) বিকেলে পৌরশহরের ত্রিমোহিনী মোড় এলাকা থেকে অপহরণ মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। সে মধ্যকুল গ্রামের আব্দুল গনি শেখের ছেলে। ইতিপূর্বে জামালের বিরুদ্ধে থানায় অপহরণ, চাঁদাবাজি ও মারমারিসহ ৯টি মামলা রয়েছে। সন্ত্রাসী জামাল গ্রেফতার হওয়ায় পৌরশহরসহ বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। 


মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (২৫ মে) সন্ধ্যায় কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ন-আহবায়ক আবু সাঈদ লাভলুর আপন চাচাতো ভাই ও পাঁজিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম মুকুল এর ছেলে কেশবপুর সরকারি ডিগ্রী কলেজের অনার্স ৪র্থ বর্ষের ছাত্র মাছুম বিল্লাহ (২২) এবং ইকরামুল হোসেন (২৩) মটরসাইকেল যোগে কেশবপুর বাজারে আসার উদ্দ্যেশে বাড়ি থেকে বের হয়। কেশবপুর টু পাঁজিয়া সড়কের পথিমধ্যে পৌরশহরের বালিয়াডাঙ্গা হারেজ খাঁর ইট ভাটা এলাকায় পৌঁছালে পূর্বশত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে জামাল বাহিনী অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাদেরকে অপহরণ করে। অপহরণকারীরা গন্তব্যস্থলে আটকে রেখে ওই দু'জনকে বেধড়ক মারপিট এবং বিভিন্ন ভয়ভীতি প্রদর্শন করে মাছুম এর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে তার চাচাতো ভাই নাজমুল এর ব্যবহৃত ফোনে কল করে নগত ২ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। দাবীকৃত মুক্তিপণের টাকা না দিলে তাদেরকে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেয়। বিষয়টি তৎক্ষণিকভাবে নাজমুল কেশবপুর থানা পুলিশকে অবহিত করেন। তারই পেক্ষিতে থানার পুলিশসহ এলাকার লোকজন চারিদিকে খোঁজাখুজি করতে থাকে। বিষয়টি ব্যাপক জানাজানি হলে অপহরণকারীরা পৌর শহরের হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় মাছুম ও ইকরামুলকে ফেলে রেখে যায়। খবর পেয়ে সেখান থেকেই থানা পুলিশ তাদেরকে উদ্ধার করে। অপহরণের ঘটনায় মাছুমের আপন চাচাতো ভাই পাঁজিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক নাজমুল হোসাইন বাদী হয়ে জামালসহ ৭ জনের নাম উল্লেখ করে কেশবপুর থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন। থানার মামলা নম্বর-১৪। মামলা হওয়ার পর থেকে অপহরণকারীরা এলাকা ছেড়ে গা ঢাকা দেয়। আসামিদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত ছিল। তারই প্রেক্ষিতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার (২৯মে) বিকেলে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ বোরহান উদ্দীনের নেতৃত্বে থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শুভ্র প্রকাশ দাস ও উপ-পুলিশ পরিদর্শক লিখন কুমার সরকার সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স নিয়ে পৌরশহরের চিংড়া ও ত্রিমোহিনী মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে জামাল শেখকে গ্রেফতার করে।


জামালের বিষয়ে এলাকাবাসীর অনেকেই নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তারা বলেন, কেশবপুর উপজেলার মধ্যকুল গ্রামের গনি শেখের ছেলে জামাল শেখ ইজিবাইক চালানো ছেড়ে দিয়ে একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তোলে। পৌরশহরের নতুন ভবন নির্মাণ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান উদ্বোধন, জমিজমা ক্রয়-বিক্রয়, অবৈধভাবে জমিজায়গা দখল, মৎস্য ঘের দখল, কেউ বিদেশ থেকে ফিরে আসলে তাকেও ছাড় দেওয়া হয়না, বড় বড় ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজি। তাদের দাবি পূরণ না করায় অনেকেই তাদের হামলা ও মারপিটের শিকার হয়ে গুরুত্বর আহত হয়েছেন, আবার অনেকেই হয়েছেন অপহরণের শিকার। শুধু তাই নয়! নিজেদের আধিপত্য বিস্তারে আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালিয়ে মারপিট করে আহত করেছেন।


এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ বোরহান উদ্দীন বলেন, অপহরণ মামলায় দূর্ধর্ষ জামাল শেখকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ইতিপূর্বে তার বিরুদ্ধে মারামারি, চাঁদাবাজি, অপহরণ মামলাসহ ৯ টি মামলা রয়েছে। অপহরণ হওয়া মাসুম ও ইকরামুলকে ঘটনার দিন রাতেই উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিকে সোমবার সকালে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে।


আরও খবর



নওগাঁয় চাঁদার টাকা না পেয়ে চুরি আঘাত করে হত্যা চেষ্টা বাবা-ছেলেকে, পলাতক আসামী!

প্রকাশিত:Tuesday ৩১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৮৪জন দেখেছেন
এ,কে এম কামাল উদ্দিন টগর ( নওগাঁ জেলা বিশেষ প্রতিনিধি)

Image



  কামাল উদ্দিন টগর নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ নওগাঁয় চাঁদার টাকা না পেয়ে চুরি আঘাত করে হত্যা চেষ্টা বাবা-ছেলেকে, পলাতক আসামী। ঘটনাটি ঘটেছে গত ২৭মে শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায়। বসতবাড়ির নির্মাণাধীন বাড়ির ছাদের কার্নিশ ভাঙ্গাকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে নওগাঁ সদর উপজেলার খাঁস নওগাঁ হঠাৎ পাড়ার মোছাঃ রেহেনা বেগমের স্বামী মো. নূর ইসলাকে ও ছেলে মো. রায়হান হোসেনকে হত্যার উদ্দেশে একই গ্রামের মো.মইদুল হোসেনের ছেলে মো. নিরব হোসেন (২৪)ও মো. মিজল হোসেন(২২) পেটে চাকু মেরে পালিয়ে যায়। 


 মোছাঃ রেহেনা বেগম বলেন, আমাদের বাড়ি নির্মণ কাজ চলাকালীন সময়ে বিভিন্ন ভাবে চাদাঁ দাবী করে আসছিল মো.মইদুল হোসেনের দুই ছেলে। চাদাঁর টাকা না পেয়ে তারা নির্মাণাধীন ছাদের কার্নিশ ভাঙ্গতে যায়। কার্নিশ ভাঙ্গাকে কেন্দ্র করে কথা কাটা-কাটির এক পর্যায়ে অকাথ্য ভাষায় গালাগালি করতে-করতে ধারালো চাকু নিয়ে জোরপূর্বক বাড়িতে প্রবেশ করে মো. মিজল হোসেনের স্ত্রী মোছা. মুক্তা (৪৫) হুকুমে আমার ছেলে মো. রায়হান হোসেন কে হত্যার উদ্যেশে মো. নিরব হোসেনের হাতে থাকা চাকু দিয়ে পেটে আঘাত করলে পেটের ডান পাশে কেটে মারাত্মক ভাবে জখম হয়। ওই সময় মো. মিজলের হাতে থাকা চাকু দিয়ে আঘাত করলে দু হাত দিয়ে প্রতিহত করলে বাম হাত কেটে রক্তাক্ত হয়ে যায়। ওই সময় আমার স্বামী মো. নূর ইসলাম এগিয়ে আসলে মিজল হোসেনের হাতে থাকা চাকু দিয়ে পেটে আঘাত করলে আমি এগিয়ে আসলে রেহেনা বেগম ও তার ছেলেরা আমাকে বেধড়ক পিটািতে থাকে। এমন অবস্থায় গ্রাম বাসী এগিয়ে আসলে তাদেরকেও চাকু দেকিয়ে ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে। এলাকাবাসী এক প্রর্যায়ে পুলিশকে ফোন দিলে তারা আমাদেরকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।


এলাকাবাসী সুমি আক্তার বলেন, আমি বাড়িতে ছিলাম হঠাৎ চিৎকার শুনে বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে দেখি রক্তাক্ত অবস্থায় বাবা ছেলে পড়ে আছে। আমরা এগিয়ে আসতে চাইলে মইদুলের দুই ছেলে চাকু বের করে আমাদেরকে ভয়-ভীতি দেখায় এরপর আমরা থানায় ফোন দিলে তারা পালিয়ে যায়। অবস্থা গুরুতর হওয়ার কারণে চার্জার (টমটম) করে প্রথমে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করায়। অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পরে জানতে পারি রায়হানকে রাজশাহী হাসপাতলে আইসিওতে নেওয়া হয়েছে। আসলে আমরা গ্রামবাসী অনেক আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।


ঘটনাটির সত্যতা স্বীকার করে নওগাঁ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) নজরুল ইসলাম জুয়েল বলেন, এ বিষয়ে থানায় একটি মামলা রুজু হয়েছে।অসমিদের ধরার জন্য চেষ্টা অব্যাহত আছে যে কোন মুহূর্তে তাদেরকে ধরে বিচার এর জন্য জেল হাজতে প্রেরণ করা হবে।


আরও খবর



আপনার এলাকার সংবাদ পাঠাতে পারেন channel3bangla@gmail.com এই মেইলে।

প্রকাশিত:Monday ৩০ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২২ June 20২২ | ৪৮জন দেখেছেন
চ্যানেল থ্রি বাংলা অনলাইন ডেক্স

Image

আপনার এলাকার সংবাদ পাঠাতে পারেন channel3bangla@gmail.com এই মেইলে।


আরও খবর



কেশবপুরে ধুমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ত্রণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:Thursday ০২ June 2০২2 | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৬০জন দেখেছেন
শেখ মোস্তফা কামাল(যশোর জেলা প্রতিনিধি)

Image


শেখ মোস্তফা কামাল যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ-

কেশবপুরে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ধুমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ত্রণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২জুন (বৃহস্পতিবার) সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ওই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। 


প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম এম আরাফাত হোসেন সভাপতিত্ব করেন এবং ধুমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের কুফল সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

প্রধান অতিথি হিসেবে প্রশিক্ষণের শুভ উদ্বোধন করেন ও বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ আরিফুজ্জামান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন, কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ বোরহান উদ্দীন।


কর্মশালায় বক্তারা ধুমপান ও তামাকজাত দ্রব্যাদির কুফল সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে তুলে ধরেন এবং তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের বিধি-বিধান তুলে ধরে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের আহ্বান জানান।


প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহনকরেন উপজেলা কৃষি অফিসার ঋতুরাজ সরকার, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পলাশ কুমার মল্লিক, কেশবপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফ-উজ-জামান খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি তপন কুমার ঘোষ মন্টু, ন্যাশনাল প্রেস সোসাইটি, গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থা কেশবপুর উপজেলা শাখার সভাপতি শামীম আখতার মুকুল, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পুলোক কুমার সিকদার, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রুপালী রানী, প্রাথমিক শিক্ষা ইন্সট্রাক্টর মোঃ রবিউল ইসলাম, উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা এম এম আলমগীর কবীর, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও কাউন্সিলর শেখ ইবাদত সিদ্দিকী বিপুল, পৌর কাউন্সিলর আফজাল হোসেন বাবু, কেশবপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস আর সাঈদ, সমাজ উন্নয়ন সংস্থা ওয়ার্ডের নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ আকমাল আলী, মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী, কেশবপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নান, নিউজ ক্লাবের সভাপতি এম এ রহমান, সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রভাষক আলাউদ্দীন আলা, মজিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ূন কবির পলাশ, বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন, মঙ্গলকোট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের বিশ্বাস, সুফলাকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম মুনজুর হোসেন, হাসানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তৌহিদুজ্জামান তৌহিদ, সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা বাবুসহ শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ।


আরও খবর