Logo
আজঃ Sunday ২৬ June ২০২২
শিরোনাম
পবিপ্রবিতে বিশ্ব সমুদ্র দিবস পালিত অপহরণের ৩ মাস ২০ দিন পর মরদেহ উদ্ধার, মেম্বারসহ গ্রেফতার ৩ চির যৌবনপ্রাপ্ত হওয়ার নেশায় বৃদ্ধাকে হত্যা করে পুরুষাঙ্গ, অন্ডকোষ, চোখ তুলে নেওয়া খুনি ও হুকুমদাতা গ্রেফতার পবিপ্রবিতে বরিশাল বিভাগীয় রোভার মেট ওয়ার্কশপে’র উদ্বোধন ঝিনাইদহে মিছিলে গুলি ও সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে আ’লীগের বিরাট প্রতিবাদ সমাবেশ কেশবপুরে ধুমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ত্রণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত চৌগাছায় পুলিশের হাতে ২'শত ফেনসিডিলসহ ২ জন গ্রেফতার দলের সিদ্ধান্ত অমান্য পদ পদবি গোপন করে পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি নেতারা ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক নওগাঁয় চাঁদার টাকা না পেয়ে চুরি আঘাত করে হত্যা চেষ্টা বাবা-ছেলেকে, পলাতক আসামী!

ফেনীতে জাতীয় রোগী কল্যাণ সোসাইটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:Tuesday ১৯ April ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৭৮জন দেখেছেন
ডাঃ মাহতাব হোসাইন মাজেদ

Image

আজ ১৯ এপ্রিল ২০২২ ইং মঙ্গলবার সন্ধ্যায়  বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের সুচিকিৎসা বাস্তবায়নের একমাত্র সংগঠন জাতীয় রোগী কল্যাণ সোসাইটির ফেনী জেলা শাখার মতবিনিময় সভা জেলা শাখার কার্যালয়ে সংগঠনের  জেলা সদস্য মুহাম্মাদ রফিকুল ইসলাম'র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় রোগী কল্যাণ সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ও বিশিষ্ট গবেষক ডা.মুহাম্মাদ মাহতাব হোসাইন মাজেদ।


বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় রোগী কল্যাণ সোসাইটির কেন্দ্রীয় সদস্য এম মোকছুদুর রহমান মিয়াজী, 


মাওলানা বশির আহমদ ফয়েজী সদস্য রোগী কল্যাণ সোসাইটি ফেনী জেলা শাখা।

এইচ এম এরফান উদ্দিন আরমান সদস্য রোগী কল্যাণ সোসাইটি ফেনী জেলা শাখা।

মাওলানা আবদুর রহিম, সদস্য জাতীয় রোগী কল্যাণ সোসাইটি নোয়াখালী জেলা শাখা,মাওলানা কে এম বেলাল হোসাইন পাটোয়ারী সহ জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ। 


গৃহীত সিদ্ধান্ত:

১/ আগামী ২৫ এপ্রিল সোমবার 

ফেনী জেলা শাখার ইফতার মাহফিল। 

২/ ফেনী জেলার মধ্যেই মে মাসে ৫ টি মাদ্রাসায় বিনা মূল্যে ঔষধ বিতরণ কর্মসূচি। 

৩/ সকল প্যাথি চিকিৎসকদের সাথে মতবিনিময় সভা।


আরও খবর



কেশবপুরের টপ শীর্ষ সন্ত্রাসী জামাল থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার

প্রকাশিত:Monday ৩০ May ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৯৮জন দেখেছেন
শেখ মোস্তফা কামাল(যশোর জেলা প্রতিনিধি)

Image



শেখ মোস্তফা কামাল যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ-


কেশবপুর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে পৌর শহরের ত্রাসসৃষ্টিকারী, দূর্ধর্ষ চাঁদাবাজ এবং একাধিক মামলার আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী জামাল শেখ (৩৩) কে গ্রেফতার করেছে। রবিবার (২৯মে) বিকেলে পৌরশহরের ত্রিমোহিনী মোড় এলাকা থেকে অপহরণ মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। সে মধ্যকুল গ্রামের আব্দুল গনি শেখের ছেলে। ইতিপূর্বে জামালের বিরুদ্ধে থানায় অপহরণ, চাঁদাবাজি ও মারমারিসহ ৯টি মামলা রয়েছে। সন্ত্রাসী জামাল গ্রেফতার হওয়ায় পৌরশহরসহ বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। 


মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (২৫ মে) সন্ধ্যায় কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ন-আহবায়ক আবু সাঈদ লাভলুর আপন চাচাতো ভাই ও পাঁজিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম মুকুল এর ছেলে কেশবপুর সরকারি ডিগ্রী কলেজের অনার্স ৪র্থ বর্ষের ছাত্র মাছুম বিল্লাহ (২২) এবং ইকরামুল হোসেন (২৩) মটরসাইকেল যোগে কেশবপুর বাজারে আসার উদ্দ্যেশে বাড়ি থেকে বের হয়। কেশবপুর টু পাঁজিয়া সড়কের পথিমধ্যে পৌরশহরের বালিয়াডাঙ্গা হারেজ খাঁর ইট ভাটা এলাকায় পৌঁছালে পূর্বশত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে জামাল বাহিনী অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাদেরকে অপহরণ করে। অপহরণকারীরা গন্তব্যস্থলে আটকে রেখে ওই দু'জনকে বেধড়ক মারপিট এবং বিভিন্ন ভয়ভীতি প্রদর্শন করে মাছুম এর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে তার চাচাতো ভাই নাজমুল এর ব্যবহৃত ফোনে কল করে নগত ২ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। দাবীকৃত মুক্তিপণের টাকা না দিলে তাদেরকে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেয়। বিষয়টি তৎক্ষণিকভাবে নাজমুল কেশবপুর থানা পুলিশকে অবহিত করেন। তারই পেক্ষিতে থানার পুলিশসহ এলাকার লোকজন চারিদিকে খোঁজাখুজি করতে থাকে। বিষয়টি ব্যাপক জানাজানি হলে অপহরণকারীরা পৌর শহরের হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় মাছুম ও ইকরামুলকে ফেলে রেখে যায়। খবর পেয়ে সেখান থেকেই থানা পুলিশ তাদেরকে উদ্ধার করে। অপহরণের ঘটনায় মাছুমের আপন চাচাতো ভাই পাঁজিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক নাজমুল হোসাইন বাদী হয়ে জামালসহ ৭ জনের নাম উল্লেখ করে কেশবপুর থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন। থানার মামলা নম্বর-১৪। মামলা হওয়ার পর থেকে অপহরণকারীরা এলাকা ছেড়ে গা ঢাকা দেয়। আসামিদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত ছিল। তারই প্রেক্ষিতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার (২৯মে) বিকেলে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ বোরহান উদ্দীনের নেতৃত্বে থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শুভ্র প্রকাশ দাস ও উপ-পুলিশ পরিদর্শক লিখন কুমার সরকার সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স নিয়ে পৌরশহরের চিংড়া ও ত্রিমোহিনী মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে জামাল শেখকে গ্রেফতার করে।


জামালের বিষয়ে এলাকাবাসীর অনেকেই নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তারা বলেন, কেশবপুর উপজেলার মধ্যকুল গ্রামের গনি শেখের ছেলে জামাল শেখ ইজিবাইক চালানো ছেড়ে দিয়ে একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তোলে। পৌরশহরের নতুন ভবন নির্মাণ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান উদ্বোধন, জমিজমা ক্রয়-বিক্রয়, অবৈধভাবে জমিজায়গা দখল, মৎস্য ঘের দখল, কেউ বিদেশ থেকে ফিরে আসলে তাকেও ছাড় দেওয়া হয়না, বড় বড় ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজি। তাদের দাবি পূরণ না করায় অনেকেই তাদের হামলা ও মারপিটের শিকার হয়ে গুরুত্বর আহত হয়েছেন, আবার অনেকেই হয়েছেন অপহরণের শিকার। শুধু তাই নয়! নিজেদের আধিপত্য বিস্তারে আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালিয়ে মারপিট করে আহত করেছেন।


এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ বোরহান উদ্দীন বলেন, অপহরণ মামলায় দূর্ধর্ষ জামাল শেখকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ইতিপূর্বে তার বিরুদ্ধে মারামারি, চাঁদাবাজি, অপহরণ মামলাসহ ৯ টি মামলা রয়েছে। অপহরণ হওয়া মাসুম ও ইকরামুলকে ঘটনার দিন রাতেই উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিকে সোমবার সকালে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে।


আরও খবর



কেশবপুরে ধুমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ত্রণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:Thursday ০২ June 2০২2 | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৬০জন দেখেছেন
শেখ মোস্তফা কামাল(যশোর জেলা প্রতিনিধি)

Image


শেখ মোস্তফা কামাল যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ-

কেশবপুরে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ধুমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ত্রণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২জুন (বৃহস্পতিবার) সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ওই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। 


প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম এম আরাফাত হোসেন সভাপতিত্ব করেন এবং ধুমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের কুফল সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

প্রধান অতিথি হিসেবে প্রশিক্ষণের শুভ উদ্বোধন করেন ও বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ আরিফুজ্জামান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন, কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ বোরহান উদ্দীন।


কর্মশালায় বক্তারা ধুমপান ও তামাকজাত দ্রব্যাদির কুফল সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে তুলে ধরেন এবং তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের বিধি-বিধান তুলে ধরে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের আহ্বান জানান।


প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহনকরেন উপজেলা কৃষি অফিসার ঋতুরাজ সরকার, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পলাশ কুমার মল্লিক, কেশবপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফ-উজ-জামান খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি তপন কুমার ঘোষ মন্টু, ন্যাশনাল প্রেস সোসাইটি, গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থা কেশবপুর উপজেলা শাখার সভাপতি শামীম আখতার মুকুল, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পুলোক কুমার সিকদার, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রুপালী রানী, প্রাথমিক শিক্ষা ইন্সট্রাক্টর মোঃ রবিউল ইসলাম, উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা এম এম আলমগীর কবীর, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও কাউন্সিলর শেখ ইবাদত সিদ্দিকী বিপুল, পৌর কাউন্সিলর আফজাল হোসেন বাবু, কেশবপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস আর সাঈদ, সমাজ উন্নয়ন সংস্থা ওয়ার্ডের নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ আকমাল আলী, মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী, কেশবপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নান, নিউজ ক্লাবের সভাপতি এম এ রহমান, সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রভাষক আলাউদ্দীন আলা, মজিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ূন কবির পলাশ, বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন, মঙ্গলকোট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের বিশ্বাস, সুফলাকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম মুনজুর হোসেন, হাসানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তৌহিদুজ্জামান তৌহিদ, সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা বাবুসহ শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ।


আরও খবর



অপহরণের ৩ মাস ২০ দিন পর মরদেহ উদ্ধার, মেম্বারসহ গ্রেফতার ৩

প্রকাশিত:Thursday ০২ June 2০২2 | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৭০জন দেখেছেন
মোঃ হামিদুল ইসলাম কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি

Image


   মোঃ হামিদুল ইসলাম 

কুড়িগ্রাম জেলা  প্রতিনিধি 



কুড়িগ্রামের রৌমারীতে বিরোধের জেরে শালু মিয়া (৩৫) কে অপহরণের ৩ মাস ২০ দিন পর মাটিতে পুঁতে রাখা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। 


বৃহস্পতিবার , ২জুন বিকেলে উপজেলার বাঘেরহাটের দক্ষিন পাশের টেকানী গ্রামের জিন্জিরাম নদীর পাড় থেকে মাটি খুড়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।


এর আগে এই বছরের ১১ ফেব্রয়ারি রাতে শালু মিয়া (৩৫) কে অপহরণ করে গুম করার অভিযোগ ওঠে। পরে ২৯ এপ্রিল স্বামী শালু মিয়াকে অপহরণের অভিযোগ এনে ইউপি সদস্য জাকির হোসেন, খয়বর আলীসহ অজ্ঞাত আরও তিন জনকে আসামি করে রৌমারী থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন স্ত্রী রেজেকা খাতুন।


এ ঘটনায় গত ৩০ মে রাতে মোবাইল ট্রাকিংয়ের মাধ্যমে ইউপি সদস্য জাকির হোসেনকে ঢাকায় গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে রৌমারী থানায় এনে ৩১ মে কুড়িগ্রাম জেল হাজতে পাঠানো হয়। গ্রেফতারকৃত জাকির হোসেন উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও একই ইউনিয়নের চর কাউয়ারচর  (বাঘের হাট) গ্রামের সোহরাব আলীর ছেলে। হত্যার শিকার শালু মিয়া (৩৫) একই ইউনিয়নের কাউয়ারচর গ্রামের মৃত চাঁন মন্ডলের ছেলে।


এরপর ঘটনার সুত্র ধরে গত বুধবার (১ জুন) ঢাকায় অভিযান চালিয়ে শালু মিয়া হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত খয়বর আলী ও জিয়াকে গ্রেফতার করে রৌমারীতে এনে তাদের দেয়া তথ্য মতে বৃহস্পতিবার (২জুন) শালু মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।


গ্রেফতারকৃত খয়বর আলী (৩২) রৌমারী উপজেলার ঝগড়ার চরের ছলে হকের পুত্র এবং জিয়া (৫০) একই উপজেলার কাউয়ার চরের তালেব এর পুত্র।


হত্যার শিকার শালু মিয়ার স্ত্রী রেজেকা খাতুন বলেন, আমার স্বামী শালু মিয়ার সাথে দীর্ঘদিন ধরে ইউপি সদস্য জাকির হোসেনের ব্যবসায়িক বিরোধ চলে আসছিল। এর সূত্র ধরে চলতি বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিষয়টি মীমাংসার জন্য জাকির হোসেন আমার স্বামীকে ফোনে দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের সুইচগেট এলাকায় যেতে বলেন। আমার স্বামী তার ফোন পেয়ে দ্রুত উক্তস্থানে চলে যান। 

আমিও তার পিছু পিছু সেখানে যাই। গিয়ে দেখি জাকির হোসেন, খয়বর আলীসহ অজ্ঞাত আরও দুই তিন জন সেখানে আগে থেকেই অবস্থান করছিলেন। তাদের সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে আমার স্বামীকে জোর পূর্বক তারা তুলে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায় নাই। পরে তারা নানা ধরণের টালবাহানা করতে থাকেন। তারা তাকে অপহরণের পর গুম করেছে। 


রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ মোন্তাছের বিল্লাহ জানান, গত ৩০ মে মামলার প্রধান আসামী ইউপি সদস্য জাকির হোসেনকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানোর পর  বুধবার (১জুন) ঢাকায় অভিযান চালিয়ে খয়বর আলী ও জিয়াকে গ্রেফতার করে রৌমারীতে এনে তাদের দেয়া তথ্যমতে শালু মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।অন্যদের ক্ষেত্রেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।


আরও খবর



ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক

প্রকাশিত:Tuesday ৩১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৮৪জন দেখেছেন
মোঃ হামিদুল ইসলাম কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি

Image



মোঃ হামিদুল  ইসলাম 

কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ


কুড়িগ্রামের উলিপুরে ১০০পিস ইয়াবাসহ নয়ন মিয়া(৩৫) ও আব্দুল মালেক(৩০) নামের দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। আটক নয়ন তবকপুর ইউনিয়নের দক্ষিন উমানন্দ এলাকার নজরুল ইসলামের পুত্র। এবং আব্দুল মালেক চিলমারী উপজেলার থানাহাট বাজার(ছমচপাড়া) এলাকার মোতালেব মিয়ার পুত্র।


পুলিশ সুত্রে জানাযায়, সোমবার সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উলিপুর থানার এসআই হারিছুর রহমান, মশিউর রহমান, এএসআই সোহাগ পারভেজ,এএসআই আবুল হাসেম সহ সংগীয় ফোর্স অভিযান চালিয়ে তবকপুর ইউনিয়নের দক্ষিন উমানন্দ কুঠিপাড়া গ্রামস্থ জনৈক ব্যক্তির পরিত্যক্ত বাড়ী থেকে ১০০পিস ইয়াবা ও ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত লাল-কালো রংয়ের হিরো ইগনিটোর ১২৫সিসি রেজিঃ বিহীন মোটরসাইকেলসহ নয়ন মিয়া ও আব্দুল মালেক কে আটক করা হয়। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপর মাদক ব্যবসায়ী পালিয়ে যায়। আটক নয়ন মাদক পাচার করতে গিয়ে দীর্ঘদিন পূর্বে সড়ক দূর্ঘটনায় তার একটি পা হারায়। পরবর্তী সময়ে সুস্থ্য হয়ে সে মাদক ব্যবসা পুনঃরায় চালু করে এবং বিভিন্ন স্থান হইতে ইয়াবা ট্যাবলেট কমদামে ক্রয় করিয়া তার ব্যবহৃত লাল-কালো রংয়ের হিরো ইগনিটোর ১২৫সিসি রেজিঃ বিহীন মোটর সাইকেলটিতে মাদক বহন করে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রয় করে আসছিলো।


মঙ্গলবার(৩১ মে) দুপুরে উলিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) ইমতিয়াজ কবির জানান, আটক মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। পলাতক আসামীকে গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।


আরও খবর



বিজ্ঞাপন দিন সাথে থাকুন

প্রকাশিত:Monday ৩০ May ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৬১জন দেখেছেন
চ্যানেল থ্রি বাংলা অনলাইন ডেক্স

Image

বিজ্ঞাপন দিন সাথে থাকুন


আরও খবর