Logo
আজঃ Sunday ২৬ June ২০২২
শিরোনাম
পবিপ্রবিতে বিশ্ব সমুদ্র দিবস পালিত অপহরণের ৩ মাস ২০ দিন পর মরদেহ উদ্ধার, মেম্বারসহ গ্রেফতার ৩ চির যৌবনপ্রাপ্ত হওয়ার নেশায় বৃদ্ধাকে হত্যা করে পুরুষাঙ্গ, অন্ডকোষ, চোখ তুলে নেওয়া খুনি ও হুকুমদাতা গ্রেফতার পবিপ্রবিতে বরিশাল বিভাগীয় রোভার মেট ওয়ার্কশপে’র উদ্বোধন ঝিনাইদহে মিছিলে গুলি ও সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে আ’লীগের বিরাট প্রতিবাদ সমাবেশ কেশবপুরে ধুমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ত্রণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত চৌগাছায় পুলিশের হাতে ২'শত ফেনসিডিলসহ ২ জন গ্রেফতার দলের সিদ্ধান্ত অমান্য পদ পদবি গোপন করে পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি নেতারা ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক নওগাঁয় চাঁদার টাকা না পেয়ে চুরি আঘাত করে হত্যা চেষ্টা বাবা-ছেলেকে, পলাতক আসামী!

কেশবপুর শহীদ মিনার তৈরি করলো খুদে শিশুর দল

প্রকাশিত:Tuesday ২২ February 20২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ১০২জন দেখেছেন
শেখ মোস্তফা কামাল(যশোর জেলা প্রতিনিধি)

Image


  যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার হাসানপুর গ্রামে ওরা পাঁচজন। পাটকাঠি ও নরমাল কাগজ দিয়ে শহীদ মিনার তৈরি করেছে। সময় লেগেছে তিন ঘন্টা। আজ সোমবার সেই শহীদ মিনারে বাগানের বিভিন্ন ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে।


ওই পাঁচজনের বাড়ি যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার হাসানপুর গ্রামে। কেউ পড়ে প্রথম শ্রেণিতে কেউবা অষ্টম শ্রেণিতে। ওরা জানায়, স্কুলের শিক্ষক, অভিভাবক ও বড়দের কাছ থেকে শহীদ দিবসের তাৎপর্য সম্পর্কে জেনেছে ওরা। তাই শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য শহীদ মিনার বানিয়েছে।


পাঁচ কারিগর হলো মাহিম  (৭), তোহা  (২), হুমায়রা (২), শামীম (৭), এবং সার্বিক সহযোগিতা করেছে মো: ফাহিম ও শামীম


 জানায়,  সোমবার ওরা পরিকল্পনা করেই সকাল থেকে শহীদ মিনার গড়ার কাজে লেগে পড়ে। তিন ঘন্টার মধ্যেই গড়ে ওঠে শহীদ মিনার।  সঙ্গে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে তারা। পরে বড়রাও ফুল দেন।


মো: ফাহিম ও শামীম বলে, তাদের গ্রামের বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নেই। ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে হলে যেতে হয় তিন কিলোমিটার। তাই শহীদ মিনার তৈরি করেছে তারা। তাদের কাজ দেখে প্রথমে কেউ উৎসাহ না দিলেও পরে বাড়ির দাদি, মা, চাচি ও বড় ভাইবোনেরা সাহায্য করেছেন।




মো: ফাহিম বাবা  ডা : বাইজিদ হোসেন বলেন, বিদ্যালয়গুলোতে একটি করে শহীদ মিনার থাকলে সবাই শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে যেতেন। এতে শিশুরা দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হতো।


গ্রামটির বাসিন্দা ও মাদরাসা শিক্ষকা মোছাঃ শায়েদা খাতুন  বলেন, ‘এই শিশুদের দেশপ্রেম দেখে অভিভূত হয়েছি। মিনারটিতে প্রত্যেকের দেওয়া একেকটি ফুলে মিশে রয়েছে তাদের শ্রদ্ধা আর অগাধ ভালোবাসা।


আরও খবর



ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক

প্রকাশিত:Tuesday ৩১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৮৪জন দেখেছেন
মোঃ হামিদুল ইসলাম কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি

Image



মোঃ হামিদুল  ইসলাম 

কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ


কুড়িগ্রামের উলিপুরে ১০০পিস ইয়াবাসহ নয়ন মিয়া(৩৫) ও আব্দুল মালেক(৩০) নামের দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। আটক নয়ন তবকপুর ইউনিয়নের দক্ষিন উমানন্দ এলাকার নজরুল ইসলামের পুত্র। এবং আব্দুল মালেক চিলমারী উপজেলার থানাহাট বাজার(ছমচপাড়া) এলাকার মোতালেব মিয়ার পুত্র।


পুলিশ সুত্রে জানাযায়, সোমবার সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উলিপুর থানার এসআই হারিছুর রহমান, মশিউর রহমান, এএসআই সোহাগ পারভেজ,এএসআই আবুল হাসেম সহ সংগীয় ফোর্স অভিযান চালিয়ে তবকপুর ইউনিয়নের দক্ষিন উমানন্দ কুঠিপাড়া গ্রামস্থ জনৈক ব্যক্তির পরিত্যক্ত বাড়ী থেকে ১০০পিস ইয়াবা ও ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত লাল-কালো রংয়ের হিরো ইগনিটোর ১২৫সিসি রেজিঃ বিহীন মোটরসাইকেলসহ নয়ন মিয়া ও আব্দুল মালেক কে আটক করা হয়। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপর মাদক ব্যবসায়ী পালিয়ে যায়। আটক নয়ন মাদক পাচার করতে গিয়ে দীর্ঘদিন পূর্বে সড়ক দূর্ঘটনায় তার একটি পা হারায়। পরবর্তী সময়ে সুস্থ্য হয়ে সে মাদক ব্যবসা পুনঃরায় চালু করে এবং বিভিন্ন স্থান হইতে ইয়াবা ট্যাবলেট কমদামে ক্রয় করিয়া তার ব্যবহৃত লাল-কালো রংয়ের হিরো ইগনিটোর ১২৫সিসি রেজিঃ বিহীন মোটর সাইকেলটিতে মাদক বহন করে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রয় করে আসছিলো।


মঙ্গলবার(৩১ মে) দুপুরে উলিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) ইমতিয়াজ কবির জানান, আটক মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। পলাতক আসামীকে গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।


আরও খবর



অপহরণের ৩ মাস ২০ দিন পর মরদেহ উদ্ধার, মেম্বারসহ গ্রেফতার ৩

প্রকাশিত:Thursday ০২ June 2০২2 | হালনাগাদ:Friday ২৪ June ২০২২ | ৬৯জন দেখেছেন
মোঃ হামিদুল ইসলাম কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি

Image


   মোঃ হামিদুল ইসলাম 

কুড়িগ্রাম জেলা  প্রতিনিধি 



কুড়িগ্রামের রৌমারীতে বিরোধের জেরে শালু মিয়া (৩৫) কে অপহরণের ৩ মাস ২০ দিন পর মাটিতে পুঁতে রাখা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। 


বৃহস্পতিবার , ২জুন বিকেলে উপজেলার বাঘেরহাটের দক্ষিন পাশের টেকানী গ্রামের জিন্জিরাম নদীর পাড় থেকে মাটি খুড়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।


এর আগে এই বছরের ১১ ফেব্রয়ারি রাতে শালু মিয়া (৩৫) কে অপহরণ করে গুম করার অভিযোগ ওঠে। পরে ২৯ এপ্রিল স্বামী শালু মিয়াকে অপহরণের অভিযোগ এনে ইউপি সদস্য জাকির হোসেন, খয়বর আলীসহ অজ্ঞাত আরও তিন জনকে আসামি করে রৌমারী থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন স্ত্রী রেজেকা খাতুন।


এ ঘটনায় গত ৩০ মে রাতে মোবাইল ট্রাকিংয়ের মাধ্যমে ইউপি সদস্য জাকির হোসেনকে ঢাকায় গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে রৌমারী থানায় এনে ৩১ মে কুড়িগ্রাম জেল হাজতে পাঠানো হয়। গ্রেফতারকৃত জাকির হোসেন উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও একই ইউনিয়নের চর কাউয়ারচর  (বাঘের হাট) গ্রামের সোহরাব আলীর ছেলে। হত্যার শিকার শালু মিয়া (৩৫) একই ইউনিয়নের কাউয়ারচর গ্রামের মৃত চাঁন মন্ডলের ছেলে।


এরপর ঘটনার সুত্র ধরে গত বুধবার (১ জুন) ঢাকায় অভিযান চালিয়ে শালু মিয়া হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত খয়বর আলী ও জিয়াকে গ্রেফতার করে রৌমারীতে এনে তাদের দেয়া তথ্য মতে বৃহস্পতিবার (২জুন) শালু মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।


গ্রেফতারকৃত খয়বর আলী (৩২) রৌমারী উপজেলার ঝগড়ার চরের ছলে হকের পুত্র এবং জিয়া (৫০) একই উপজেলার কাউয়ার চরের তালেব এর পুত্র।


হত্যার শিকার শালু মিয়ার স্ত্রী রেজেকা খাতুন বলেন, আমার স্বামী শালু মিয়ার সাথে দীর্ঘদিন ধরে ইউপি সদস্য জাকির হোসেনের ব্যবসায়িক বিরোধ চলে আসছিল। এর সূত্র ধরে চলতি বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিষয়টি মীমাংসার জন্য জাকির হোসেন আমার স্বামীকে ফোনে দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের সুইচগেট এলাকায় যেতে বলেন। আমার স্বামী তার ফোন পেয়ে দ্রুত উক্তস্থানে চলে যান। 

আমিও তার পিছু পিছু সেখানে যাই। গিয়ে দেখি জাকির হোসেন, খয়বর আলীসহ অজ্ঞাত আরও দুই তিন জন সেখানে আগে থেকেই অবস্থান করছিলেন। তাদের সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে আমার স্বামীকে জোর পূর্বক তারা তুলে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায় নাই। পরে তারা নানা ধরণের টালবাহানা করতে থাকেন। তারা তাকে অপহরণের পর গুম করেছে। 


রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ মোন্তাছের বিল্লাহ জানান, গত ৩০ মে মামলার প্রধান আসামী ইউপি সদস্য জাকির হোসেনকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানোর পর  বুধবার (১জুন) ঢাকায় অভিযান চালিয়ে খয়বর আলী ও জিয়াকে গ্রেফতার করে রৌমারীতে এনে তাদের দেয়া তথ্যমতে শালু মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।অন্যদের ক্ষেত্রেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।


আরও খবর



চির যৌবনপ্রাপ্ত হওয়ার নেশায় বৃদ্ধাকে হত্যা করে পুরুষাঙ্গ, অন্ডকোষ, চোখ তুলে নেওয়া খুনি ও হুকুমদাতা গ্রেফতার

প্রকাশিত:Thursday ০২ June 2০২2 | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৭৩জন দেখেছেন
শেখ মোস্তফা কামাল(যশোর জেলা প্রতিনিধি)

Image




শেখ মোস্তফা কামাল যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ-

যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার পাইকপাড়া গ্রামে নকিম উদ্দিন (৬০) নামের এক বৃদ্ধাকে খুন করে চির যৌবনপ্রাপ্ত হওয়ার নেশায় পুরুষাঙ্গ, অন্ডকোষ ও চোখ তুলে নিয়ে যাওয়া বিকৃত মনের খুনি লিটনকে (৪০) ও হুকুমদাতা কবিরাজ আঃ বারেক (৬০) কে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ। তারই পাশাপাশি নিহতের পুরুষাঙ্গ, অন্ডকোষ ও চোখের মনি এবং হত্যা কাজে ব্যবহৃত চাকু, রশি উদ্ধার করেছে। গত ১জুন দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওর থানার চরঘিওর মাঠে পুলিশ কৃষান সেজে খুনিকে এবং রাতে চুয়াডাঙ্গা জেলার লোকনাথপুর গ্রাম থেকে হুকুমদাতা ও তান্ত্রিক কবিরাজকে গ্রেফতার করে। তারা হলেন চুয়াডাঙ্গা থানার মোহাম্মদ জামা গ্রামের হানিফ আলী মালিতার ছেলে খুনি লিটন মালিতা এবং একই চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা থানার লোকনাথপুর গ্রামের মৃত মোজাম্মেল হকের ছেলে আঃ বারেক কবিরাজ।


উল্লেখ্য, গত ৩০মে (সোমবার) সকালে বাঘারপাড়া থানার পশ্চিম পাইকপাড়া গ্রামের জনৈক গৃহস্থ বেনজির আহম্মেদ এর বসতবাড়ী থেকে ধুপখালী গ্রামের মৃত দলিল উদ্দিন এর ছেলে নকিম উদ্দিন (৬০) এর মৃতদেহ উদ্ধার করে বাঘারপাড়া থানা পুলিশ।

জানা যায়, চলতি বছরের গত ২৬মে (বৃহস্পতিবার) নিহত নকিম উদ্দিন তার নিজ বাড়ীতে কাউকে কিছু না বলে বাঘারপাড়া ছাতিয়ানতলা বাজারে কৃষান দেওয়ার জন্য যায়। সেখান থেকেই নকিম উদ্দিনসহ ৩ জন কৃষানকে গৃহস্থ বেনজির আহম্মেদ তার বাড়ীতে নিয়ে যায়। এর মধ্যে ২দিন পর ১জন কৃষান চলে যায়। পরে ৩০মে (সোমবার) সকাল অনুমান ০৬:০০ ঘটিকার সময় বাড়ীওয়ালা বেনজির আহম্মেদ কৃষানদের ডাকতে গেলে সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা খুলে দেখে কৃষান নকিম উদ্দিনের মরদেহ খাটে পড়ে আছে। পাশে থাকা অজ্ঞাত কৃষানকে ঘরে নেই। খবর পেয়ে পুলিশ নিহত কৃষান নকিম উদ্দিনের সুরতহাল করতে গিয়ে দেখে তার ১টি চোখ ও পুরুষাঙ্গ নেই। আশপাশে তল্লাশী করেও নিহত নকিম উদ্দিনের ডান চোখের মনি ও পুরুষাঙ্গ খুজে পাওয়া যায় না। 

এই ঘটনা সংক্রান্তে নিহত নকিম উদ্দিনের ছেলে মোঃ মাজহারুল ইসলাম বাদী হয়ে অজ্ঞাত লোকের বিরুদ্ধে ৩১মে (মঙ্গলবার) বাঘারপাড়া থানায় একটি মামলা করেন। থানার মামলা নং-১৮।


ঘটনাটি চাঞ্চল্যকর ও মর্মান্তিক হওয়ায় জেলার পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার,বিপিএম (বার), পিপিএম ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের জন্য মামলাটি জেলা গোয়েন্দা শাখাকে তদন্তভার প্রদান করেন।


পুলিশ সুপারের দিক-নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ রুপন কুমার সরকার এর তত্ত্বাবধানে ডিবি’র এসআই মফিজুল ইসলাম ঘটনায় জড়িতদের সনাক্তপূর্বক মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মোঃ শহিদুল ইসলাম এর নেতৃত্বে একটি চৌকশ টিম গত ৩১মে (মঙ্গলবার) থেকে যশোর, মাগুরা, ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা শেষে ১জুন (বুধবার) দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওর থানার চর ঘিওর মাঠে কৃষান সেজে ঘটনার প্রধান আসামী হত্যাকারী পালিয়ে যাওয়া কৃষান লিটনকে গ্রেফতার করে। তার স্বীকারোক্তিতে নিহত কৃষান নকিম উদ্দিনের চোখের মনি, অন্ডকোষ ও পুরুষাঙ্গ একটি খড়ের পাল্লা (বিছালী) এর মধ্য থেকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামী লিটনের স্বীকারোক্তিতে ওইদিন রাতেই চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা থানার লোকনাথপুর গ্রাম থেকে হুকুম দাতা তান্ত্রিক কবিরাজ আঃ বারেককে গ্রেফতার করে। ওইসময় তার বসতঘর থেকে তান্ত্রিক কবিরাজীর বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তান্ত্রিক কবিরাজ আঃ বারেক এর নির্দেশে বিকৃত মানসিকতার অধিকারী লিটন যৌন শক্তি বৃদ্ধি ও চির যৌবন প্রাপ্ত হওয়ার নেশায় দীর্ঘদিন যাবৎ নর-হত্যা পূর্বক পুরুষাঙ্গ, অন্ডকোষ ও চোখের মনি সংগ্রহ করার চেষ্টা করে। দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করে কৃষানের কাজ, রিক্সা চালিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে টার্গেট করে। হত্যার চেষ্টা ও পুরুষাঙ্গ, অন্ডকোষ ও চোখের মনি সংগ্রহের চেষ্টার একপর্যায়ে গত ২৬মে (বৃহস্পতিবার) বাঘারপাড়া সাতিয়ানতলা বাজারে এসে কৃষান হিসেবে নিয়োজিত হওয়ার আগে নিহত কৃষান নকিম উদ্দিনের সাথে তার পরিচয় হয়। নকিম উদ্দিনকে টার্গেট করে তার সাথে গৃহস্থ বেনজির আহম্মেদ এর বাড়ীতে কৃষানের কাজে নিয়োজিত হন। পরবর্তীতে গত ২৯ মে (রবিবার) দিবাগত রাতে কবিরাজ বারেকের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করে তার নির্দেশে রশি দিয়ে নকিম উদ্দিনের গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করে বিকৃত মানসিকতার অধিকারী আসামী লিটন। হত্যা পরবর্তী পরিকল্পনা মোতাবেক লিটন নিহত কৃষান নকিম উদ্দিনের পুরুষাঙ্গ ও অন্ডকোষ কর্তন ও ডান চোখের মনি নিয়ে পালিয়ে যায়।

আসামী লিটন আরো জানায়, ইতোপূর্বে তান্ত্রিক কবিরাজ আঃ বারেক তাকে যৌন শক্তি বৃদ্ধির প্রলোভন দেখিয়ে লিটনের সাথে একাধিকবার সম-কামি যৌন সঙ্গম করে বিকৃত মানসিকতা সৃষ্টি করেন। এরপর থেকে কবিরাজ বারেকের নির্দেশে লিটন বিভিন্ন পুরুষের সাথে সম্পর্ক করে প্রকৃতির নিয়মের বাহিরে যৌন সঙ্গম করে এবং পরিকল্পনা মোতাবেক পুরুষাঙ্গ, অন্ডকোষ ও চোখের মনি সংগ্রহের নিমিত্তে নর-হত্যার চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকে।


যশোর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলন এর মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।


আরও খবর



শ্রী শ্রী লোকনাথ বাবার ১৩২ তম তিরোধান দিবসে লোকনাথ নার্সিং হোমে লোকনাথ বাবার পুজা অনুষ্ঠিত।

প্রকাশিত:Friday ০৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Thursday ২৩ June ২০২২ | ৯৯জন দেখেছেন
মোঃ মামুন সিকদার (ব্যবস্থাপনা পরিচালক)

Image

আজ ১৯ জ্যৈষ্ঠ বাবা লোকনাথের তিরোধান দিবস। আজও আমরা সমস্যায় পড়লে বাবা লোকনাথের একটি বাণী স্মরণ করি। লোকনাথ বাবা বলে গিয়েছেন, 'রণে বনে জঙ্গলে যখন বিপদে পরিবে, আমাকে স্মরণ করিও আমিই রক্ষা করিব।' লোকনাথ ব্রহ্মচারীর এই বাণীকে সম্বল করে আমরা কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করে এগিয়ে চলেছি।

Loknath Baba-র তিরোধান দিবস আজ। ১২৯৭ বঙ্গাব্দের ১৯ জ্যৈষ্ঠ (ইংরেজি ১ জুন ১৮৯০ খ্রিষ্টাব্দ) মহাপ্রয়ান লাভ করেন বাবা লোকনাথ। আজ ১৯ জ্যৈষ্ঠ, ৩ জুন লোকনাথ বাবার তিরোধান দিবস।


কথিত আছে, বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের বারদী আশ্রমে মহাসমাধি লাভ করেন লোকনাথ ব্রহ্মচারী। বারদীতে বসবাসকালে এক ভক্ত নিদের ছেলের যক্ষ্মা সারিয়ে দেওয়ার আর্জি নিয়ে তাঁরা কাছে আসেন। বাবা লোকনাথ বুঝতে পারেন যে সেই ছেলের আয়ু প্রায় শেষ। কিন্তু ভক্তের কল্যাণের উদ্দেশে তিনি সেই ছেলের শরীরের যক্ষ্মা নিজ শরীরে ধারণ করেন। সেই ভক্তের সন্তান ধীরে ধীরে রোগ মুক্ত হয়ে ওঠে। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই তার মৃত্যু হয়। কিন্তু যক্ষ্মা রোগ ক্রমশ বাবা লোকনাথের শরীরে বাড়তে থাকে। ১৯ জ্যৈষ্ঠ্য তিনি দেহত্যাগের কথা ঘোষণা করেন। এর পরই বারদী আশ্রমে প্রচুর ভক্ত সমাগম হয়। ১৯ জ্যৈষ্ঠ্যে দুপুর ১১টা ৪৫ মিনিটে মহাসমাধিতে মগ্ন হন লোকনাথ ব্রহ্মচারী। এ সময় তাঁর বয়স হয়েছিল ১৬০ বছর বয়স।


বাবা লোকনাথকে শিব লোকনাথও বলা হয়। নিজের উপদেশের মাধ্যমে বহু যুগ ধরে জগৎ সংসারকে সমৃদ্ধ করেছেন বাবা লোকনাথ। আজও তাঁর সেই বাণী সমান প্রাসঙ্গিক। লোকনাথ বাবার তিরোধান দিবসে তাঁর কিছু উপদেশ তুলে ধরা হল--


১. যাহারা আমার নিকট আসিয়া, আমার আশ্রয় গ্রহণ করে তাহাদের দুঃখে আমার হৃদয় আদ্র হয়। এই আদ্রতাই আমার দয়া ইহাই আমার শক্তি, যা তাদের উপর প্রসারিত হয় এবং তাহাদের দুঃখ দূর হয়।


২. সত্যের মতো পবিত্র আর কিছু নেই, সত্যিই স্বর্গ গমনের একমাত্র সোপান রূপ সন্দেহ নেই।


৩. যে ব্যক্তি সকলের সুহৃদ আর যিনি কায়মনোবাক্যে সকলের কল্যাণ সাধন করেন তিনি যথার্থ জ্ঞানী।


৪. অর্থ উপার্জন করা, তা রক্ষা করা আর তা ব্যয় করার সময় বিশ্ব দুঃখ ভোগ করতে হয়। অর্থ সকল অবস্থাতেই মানুষকে কষ্ট দেয়। তাই অর্থ ব্যয় হলে বা চুরি হলে তার জন্য চিন্তা করে কোনও লাভ নেই।


৫. গর্জন করবি কিন্তু আহাম্মক হবি না, ক্রোধ করবি কিন্তু ক্রোধান্ধ হবি না।


৬. যে ব্যক্তি কৃতজ্ঞ, ধার্মিক, সত্যচারী, উদারচিত্ত, ভক্তিপরায়ন, জিতেন্দ্রিয়, মর্যাদা রক্ষা করতে জানে আর কখনও আপন সন্তানকে পরিত্যাগ করেন না, এমন ব্যক্তির সঙ্গে বন্ধুত্ব করুন।


৭. আমিও তোদের মত খাই-দাই মল-মূত্র ত্যাগ করি। আমাকেও তোদের মতোই একজন ভেবে নিস। আমাকে তোরা শরীর ভেবে ভেবেই সব মাটি করলি আর আমি যে কে, তা আর কাকে বোঝাবো। সবাই তো ছোট ছোট চাওয়া নিয়ে ভুলে রয়েছে, জানল না প্রকৃত আমি কে?


৮. দীন দরিদ্র অসহায় মানুষের হাতে যখন যা দিবি তা আমিই পাব, আমি গ্রহণ করব। দরিদ্রতায় ভরা সমাজের দুঃখ দূর করার চেষ্টা করবি।


৯. গীতা কি আর নিত্য পাঠ করাপর জিনিস, গীতা যে গীতা। গীতা পাঠ করলে কী হবে, শোনার চেষ্টা করতে হবে। প্রতিটি জীব হৃদয়ে বসে যে ভগবান নিত্য গীতা শোনাচ্ছেন, যেদিন শুনবি সেদিন গীতা হয়ে যাবি।


১০. প্রতিদিন রাতে শোবার সময় সারাদিনের কাজের হিসেব-নিকেশ করবি। অর্থাৎ ভালো কাজ কী কী করেছিস আর খারাপ কাজ কী কী করেছিস? যে সকল খারাপ বলে বিবেচনা করলি, সে সকল কাজ আর যাতে না করতে হয় সেদিকে খেয়াল রাখবি।


১১. আমার ওপর আস্থা, বিশ্বাস, যা বাড়বে, ততই তোদের সর্ব অভীষ্ট সফল হবে।


১২. যে কর্ম মনে তাপ সৃষ্টি করে তাই পাপ। যে কর্মের মধ্য দিয়ে আত্মসচেতনতা বা শক্তির ভাব মনকে ভরিয়ে তোলে, তাই পুণ্য এবং স্বর্গ তুল্য।


১৩. আমি শরীর ছেড়ে দিয়েছি। কিন্তু ভক্তের রক্ষা করার জন্য আমি সর্বদাই ভক্তের সঙ্গে রয়েছি। তোদের চোখ নেই, তাই তো তোরা আমায় দেখেও দেখিস না।


১৪. পিতা-মাতা তাঁরা যতই বৃদ্ধ হোক না-কেন পিতামাতাই। তাঁদের খুশি করার জন্য বিরক্ত না হয়ে বার বার তাঁদের প্রশ্নের উত্তর দিবি। আর কোনও কারণ জিজ্ঞাসা না-করে তাঁদের ইচ্ছা পূরণ করার চেষ্টা করবি।


১৫. সূর্য উঠলে যেমন আধার পালিয়ে যায়, গৃহস্থের ঘুম ভেঙে গেলে যেমন চোর পালিয়ে যায়, ঠিক তেমনি বার বার বিচার করলে খারাপ কাজ করার প্রবৃত্তি পালিয়ে যাইবে।


আরও খবর



বিজ্ঞাপন দিন সাথে থাকুন

প্রকাশিত:Monday ৩০ May ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৬১জন দেখেছেন
চ্যানেল থ্রি বাংলা অনলাইন ডেক্স

Image

বিজ্ঞাপন দিন সাথে থাকুন


আরও খবর