Logo
আজঃ Sunday ২৬ June ২০২২
শিরোনাম
পবিপ্রবিতে বিশ্ব সমুদ্র দিবস পালিত অপহরণের ৩ মাস ২০ দিন পর মরদেহ উদ্ধার, মেম্বারসহ গ্রেফতার ৩ চির যৌবনপ্রাপ্ত হওয়ার নেশায় বৃদ্ধাকে হত্যা করে পুরুষাঙ্গ, অন্ডকোষ, চোখ তুলে নেওয়া খুনি ও হুকুমদাতা গ্রেফতার পবিপ্রবিতে বরিশাল বিভাগীয় রোভার মেট ওয়ার্কশপে’র উদ্বোধন ঝিনাইদহে মিছিলে গুলি ও সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে আ’লীগের বিরাট প্রতিবাদ সমাবেশ কেশবপুরে ধুমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ত্রণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত চৌগাছায় পুলিশের হাতে ২'শত ফেনসিডিলসহ ২ জন গ্রেফতার দলের সিদ্ধান্ত অমান্য পদ পদবি গোপন করে পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি নেতারা ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক নওগাঁয় চাঁদার টাকা না পেয়ে চুরি আঘাত করে হত্যা চেষ্টা বাবা-ছেলেকে, পলাতক আসামী!

কেশবপুরের টপ শীর্ষ সন্ত্রাসী জামাল থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার

প্রকাশিত:Monday ৩০ May ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৯৮জন দেখেছেন
শেখ মোস্তফা কামাল(যশোর জেলা প্রতিনিধি)

Image



শেখ মোস্তফা কামাল যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ-


কেশবপুর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে পৌর শহরের ত্রাসসৃষ্টিকারী, দূর্ধর্ষ চাঁদাবাজ এবং একাধিক মামলার আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী জামাল শেখ (৩৩) কে গ্রেফতার করেছে। রবিবার (২৯মে) বিকেলে পৌরশহরের ত্রিমোহিনী মোড় এলাকা থেকে অপহরণ মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। সে মধ্যকুল গ্রামের আব্দুল গনি শেখের ছেলে। ইতিপূর্বে জামালের বিরুদ্ধে থানায় অপহরণ, চাঁদাবাজি ও মারমারিসহ ৯টি মামলা রয়েছে। সন্ত্রাসী জামাল গ্রেফতার হওয়ায় পৌরশহরসহ বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। 


মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (২৫ মে) সন্ধ্যায় কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ন-আহবায়ক আবু সাঈদ লাভলুর আপন চাচাতো ভাই ও পাঁজিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম মুকুল এর ছেলে কেশবপুর সরকারি ডিগ্রী কলেজের অনার্স ৪র্থ বর্ষের ছাত্র মাছুম বিল্লাহ (২২) এবং ইকরামুল হোসেন (২৩) মটরসাইকেল যোগে কেশবপুর বাজারে আসার উদ্দ্যেশে বাড়ি থেকে বের হয়। কেশবপুর টু পাঁজিয়া সড়কের পথিমধ্যে পৌরশহরের বালিয়াডাঙ্গা হারেজ খাঁর ইট ভাটা এলাকায় পৌঁছালে পূর্বশত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে জামাল বাহিনী অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাদেরকে অপহরণ করে। অপহরণকারীরা গন্তব্যস্থলে আটকে রেখে ওই দু'জনকে বেধড়ক মারপিট এবং বিভিন্ন ভয়ভীতি প্রদর্শন করে মাছুম এর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে তার চাচাতো ভাই নাজমুল এর ব্যবহৃত ফোনে কল করে নগত ২ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। দাবীকৃত মুক্তিপণের টাকা না দিলে তাদেরকে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেয়। বিষয়টি তৎক্ষণিকভাবে নাজমুল কেশবপুর থানা পুলিশকে অবহিত করেন। তারই পেক্ষিতে থানার পুলিশসহ এলাকার লোকজন চারিদিকে খোঁজাখুজি করতে থাকে। বিষয়টি ব্যাপক জানাজানি হলে অপহরণকারীরা পৌর শহরের হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় মাছুম ও ইকরামুলকে ফেলে রেখে যায়। খবর পেয়ে সেখান থেকেই থানা পুলিশ তাদেরকে উদ্ধার করে। অপহরণের ঘটনায় মাছুমের আপন চাচাতো ভাই পাঁজিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক নাজমুল হোসাইন বাদী হয়ে জামালসহ ৭ জনের নাম উল্লেখ করে কেশবপুর থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন। থানার মামলা নম্বর-১৪। মামলা হওয়ার পর থেকে অপহরণকারীরা এলাকা ছেড়ে গা ঢাকা দেয়। আসামিদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত ছিল। তারই প্রেক্ষিতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার (২৯মে) বিকেলে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ বোরহান উদ্দীনের নেতৃত্বে থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শুভ্র প্রকাশ দাস ও উপ-পুলিশ পরিদর্শক লিখন কুমার সরকার সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স নিয়ে পৌরশহরের চিংড়া ও ত্রিমোহিনী মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে জামাল শেখকে গ্রেফতার করে।


জামালের বিষয়ে এলাকাবাসীর অনেকেই নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তারা বলেন, কেশবপুর উপজেলার মধ্যকুল গ্রামের গনি শেখের ছেলে জামাল শেখ ইজিবাইক চালানো ছেড়ে দিয়ে একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তোলে। পৌরশহরের নতুন ভবন নির্মাণ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান উদ্বোধন, জমিজমা ক্রয়-বিক্রয়, অবৈধভাবে জমিজায়গা দখল, মৎস্য ঘের দখল, কেউ বিদেশ থেকে ফিরে আসলে তাকেও ছাড় দেওয়া হয়না, বড় বড় ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজি। তাদের দাবি পূরণ না করায় অনেকেই তাদের হামলা ও মারপিটের শিকার হয়ে গুরুত্বর আহত হয়েছেন, আবার অনেকেই হয়েছেন অপহরণের শিকার। শুধু তাই নয়! নিজেদের আধিপত্য বিস্তারে আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালিয়ে মারপিট করে আহত করেছেন।


এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ বোরহান উদ্দীন বলেন, অপহরণ মামলায় দূর্ধর্ষ জামাল শেখকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ইতিপূর্বে তার বিরুদ্ধে মারামারি, চাঁদাবাজি, অপহরণ মামলাসহ ৯ টি মামলা রয়েছে। অপহরণ হওয়া মাসুম ও ইকরামুলকে ঘটনার দিন রাতেই উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিকে সোমবার সকালে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে।


আরও খবর



চির যৌবনপ্রাপ্ত হওয়ার নেশায় বৃদ্ধাকে হত্যা করে পুরুষাঙ্গ, অন্ডকোষ, চোখ তুলে নেওয়া খুনি ও হুকুমদাতা গ্রেফতার

প্রকাশিত:Thursday ০২ June 2০২2 | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৭৩জন দেখেছেন
শেখ মোস্তফা কামাল(যশোর জেলা প্রতিনিধি)

Image




শেখ মোস্তফা কামাল যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ-

যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার পাইকপাড়া গ্রামে নকিম উদ্দিন (৬০) নামের এক বৃদ্ধাকে খুন করে চির যৌবনপ্রাপ্ত হওয়ার নেশায় পুরুষাঙ্গ, অন্ডকোষ ও চোখ তুলে নিয়ে যাওয়া বিকৃত মনের খুনি লিটনকে (৪০) ও হুকুমদাতা কবিরাজ আঃ বারেক (৬০) কে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ। তারই পাশাপাশি নিহতের পুরুষাঙ্গ, অন্ডকোষ ও চোখের মনি এবং হত্যা কাজে ব্যবহৃত চাকু, রশি উদ্ধার করেছে। গত ১জুন দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওর থানার চরঘিওর মাঠে পুলিশ কৃষান সেজে খুনিকে এবং রাতে চুয়াডাঙ্গা জেলার লোকনাথপুর গ্রাম থেকে হুকুমদাতা ও তান্ত্রিক কবিরাজকে গ্রেফতার করে। তারা হলেন চুয়াডাঙ্গা থানার মোহাম্মদ জামা গ্রামের হানিফ আলী মালিতার ছেলে খুনি লিটন মালিতা এবং একই চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা থানার লোকনাথপুর গ্রামের মৃত মোজাম্মেল হকের ছেলে আঃ বারেক কবিরাজ।


উল্লেখ্য, গত ৩০মে (সোমবার) সকালে বাঘারপাড়া থানার পশ্চিম পাইকপাড়া গ্রামের জনৈক গৃহস্থ বেনজির আহম্মেদ এর বসতবাড়ী থেকে ধুপখালী গ্রামের মৃত দলিল উদ্দিন এর ছেলে নকিম উদ্দিন (৬০) এর মৃতদেহ উদ্ধার করে বাঘারপাড়া থানা পুলিশ।

জানা যায়, চলতি বছরের গত ২৬মে (বৃহস্পতিবার) নিহত নকিম উদ্দিন তার নিজ বাড়ীতে কাউকে কিছু না বলে বাঘারপাড়া ছাতিয়ানতলা বাজারে কৃষান দেওয়ার জন্য যায়। সেখান থেকেই নকিম উদ্দিনসহ ৩ জন কৃষানকে গৃহস্থ বেনজির আহম্মেদ তার বাড়ীতে নিয়ে যায়। এর মধ্যে ২দিন পর ১জন কৃষান চলে যায়। পরে ৩০মে (সোমবার) সকাল অনুমান ০৬:০০ ঘটিকার সময় বাড়ীওয়ালা বেনজির আহম্মেদ কৃষানদের ডাকতে গেলে সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা খুলে দেখে কৃষান নকিম উদ্দিনের মরদেহ খাটে পড়ে আছে। পাশে থাকা অজ্ঞাত কৃষানকে ঘরে নেই। খবর পেয়ে পুলিশ নিহত কৃষান নকিম উদ্দিনের সুরতহাল করতে গিয়ে দেখে তার ১টি চোখ ও পুরুষাঙ্গ নেই। আশপাশে তল্লাশী করেও নিহত নকিম উদ্দিনের ডান চোখের মনি ও পুরুষাঙ্গ খুজে পাওয়া যায় না। 

এই ঘটনা সংক্রান্তে নিহত নকিম উদ্দিনের ছেলে মোঃ মাজহারুল ইসলাম বাদী হয়ে অজ্ঞাত লোকের বিরুদ্ধে ৩১মে (মঙ্গলবার) বাঘারপাড়া থানায় একটি মামলা করেন। থানার মামলা নং-১৮।


ঘটনাটি চাঞ্চল্যকর ও মর্মান্তিক হওয়ায় জেলার পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার,বিপিএম (বার), পিপিএম ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের জন্য মামলাটি জেলা গোয়েন্দা শাখাকে তদন্তভার প্রদান করেন।


পুলিশ সুপারের দিক-নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ রুপন কুমার সরকার এর তত্ত্বাবধানে ডিবি’র এসআই মফিজুল ইসলাম ঘটনায় জড়িতদের সনাক্তপূর্বক মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মোঃ শহিদুল ইসলাম এর নেতৃত্বে একটি চৌকশ টিম গত ৩১মে (মঙ্গলবার) থেকে যশোর, মাগুরা, ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা শেষে ১জুন (বুধবার) দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওর থানার চর ঘিওর মাঠে কৃষান সেজে ঘটনার প্রধান আসামী হত্যাকারী পালিয়ে যাওয়া কৃষান লিটনকে গ্রেফতার করে। তার স্বীকারোক্তিতে নিহত কৃষান নকিম উদ্দিনের চোখের মনি, অন্ডকোষ ও পুরুষাঙ্গ একটি খড়ের পাল্লা (বিছালী) এর মধ্য থেকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামী লিটনের স্বীকারোক্তিতে ওইদিন রাতেই চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা থানার লোকনাথপুর গ্রাম থেকে হুকুম দাতা তান্ত্রিক কবিরাজ আঃ বারেককে গ্রেফতার করে। ওইসময় তার বসতঘর থেকে তান্ত্রিক কবিরাজীর বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তান্ত্রিক কবিরাজ আঃ বারেক এর নির্দেশে বিকৃত মানসিকতার অধিকারী লিটন যৌন শক্তি বৃদ্ধি ও চির যৌবন প্রাপ্ত হওয়ার নেশায় দীর্ঘদিন যাবৎ নর-হত্যা পূর্বক পুরুষাঙ্গ, অন্ডকোষ ও চোখের মনি সংগ্রহ করার চেষ্টা করে। দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করে কৃষানের কাজ, রিক্সা চালিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে টার্গেট করে। হত্যার চেষ্টা ও পুরুষাঙ্গ, অন্ডকোষ ও চোখের মনি সংগ্রহের চেষ্টার একপর্যায়ে গত ২৬মে (বৃহস্পতিবার) বাঘারপাড়া সাতিয়ানতলা বাজারে এসে কৃষান হিসেবে নিয়োজিত হওয়ার আগে নিহত কৃষান নকিম উদ্দিনের সাথে তার পরিচয় হয়। নকিম উদ্দিনকে টার্গেট করে তার সাথে গৃহস্থ বেনজির আহম্মেদ এর বাড়ীতে কৃষানের কাজে নিয়োজিত হন। পরবর্তীতে গত ২৯ মে (রবিবার) দিবাগত রাতে কবিরাজ বারেকের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করে তার নির্দেশে রশি দিয়ে নকিম উদ্দিনের গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করে বিকৃত মানসিকতার অধিকারী আসামী লিটন। হত্যা পরবর্তী পরিকল্পনা মোতাবেক লিটন নিহত কৃষান নকিম উদ্দিনের পুরুষাঙ্গ ও অন্ডকোষ কর্তন ও ডান চোখের মনি নিয়ে পালিয়ে যায়।

আসামী লিটন আরো জানায়, ইতোপূর্বে তান্ত্রিক কবিরাজ আঃ বারেক তাকে যৌন শক্তি বৃদ্ধির প্রলোভন দেখিয়ে লিটনের সাথে একাধিকবার সম-কামি যৌন সঙ্গম করে বিকৃত মানসিকতা সৃষ্টি করেন। এরপর থেকে কবিরাজ বারেকের নির্দেশে লিটন বিভিন্ন পুরুষের সাথে সম্পর্ক করে প্রকৃতির নিয়মের বাহিরে যৌন সঙ্গম করে এবং পরিকল্পনা মোতাবেক পুরুষাঙ্গ, অন্ডকোষ ও চোখের মনি সংগ্রহের নিমিত্তে নর-হত্যার চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকে।


যশোর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলন এর মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।


আরও খবর



নওগাঁয় চাঁদার টাকা না পেয়ে চুরি আঘাত করে হত্যা চেষ্টা বাবা-ছেলেকে, পলাতক আসামী!

প্রকাশিত:Tuesday ৩১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৮৩জন দেখেছেন
এ,কে এম কামাল উদ্দিন টগর ( নওগাঁ জেলা বিশেষ প্রতিনিধি)

Image



  কামাল উদ্দিন টগর নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ নওগাঁয় চাঁদার টাকা না পেয়ে চুরি আঘাত করে হত্যা চেষ্টা বাবা-ছেলেকে, পলাতক আসামী। ঘটনাটি ঘটেছে গত ২৭মে শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায়। বসতবাড়ির নির্মাণাধীন বাড়ির ছাদের কার্নিশ ভাঙ্গাকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে নওগাঁ সদর উপজেলার খাঁস নওগাঁ হঠাৎ পাড়ার মোছাঃ রেহেনা বেগমের স্বামী মো. নূর ইসলাকে ও ছেলে মো. রায়হান হোসেনকে হত্যার উদ্দেশে একই গ্রামের মো.মইদুল হোসেনের ছেলে মো. নিরব হোসেন (২৪)ও মো. মিজল হোসেন(২২) পেটে চাকু মেরে পালিয়ে যায়। 


 মোছাঃ রেহেনা বেগম বলেন, আমাদের বাড়ি নির্মণ কাজ চলাকালীন সময়ে বিভিন্ন ভাবে চাদাঁ দাবী করে আসছিল মো.মইদুল হোসেনের দুই ছেলে। চাদাঁর টাকা না পেয়ে তারা নির্মাণাধীন ছাদের কার্নিশ ভাঙ্গতে যায়। কার্নিশ ভাঙ্গাকে কেন্দ্র করে কথা কাটা-কাটির এক পর্যায়ে অকাথ্য ভাষায় গালাগালি করতে-করতে ধারালো চাকু নিয়ে জোরপূর্বক বাড়িতে প্রবেশ করে মো. মিজল হোসেনের স্ত্রী মোছা. মুক্তা (৪৫) হুকুমে আমার ছেলে মো. রায়হান হোসেন কে হত্যার উদ্যেশে মো. নিরব হোসেনের হাতে থাকা চাকু দিয়ে পেটে আঘাত করলে পেটের ডান পাশে কেটে মারাত্মক ভাবে জখম হয়। ওই সময় মো. মিজলের হাতে থাকা চাকু দিয়ে আঘাত করলে দু হাত দিয়ে প্রতিহত করলে বাম হাত কেটে রক্তাক্ত হয়ে যায়। ওই সময় আমার স্বামী মো. নূর ইসলাম এগিয়ে আসলে মিজল হোসেনের হাতে থাকা চাকু দিয়ে পেটে আঘাত করলে আমি এগিয়ে আসলে রেহেনা বেগম ও তার ছেলেরা আমাকে বেধড়ক পিটািতে থাকে। এমন অবস্থায় গ্রাম বাসী এগিয়ে আসলে তাদেরকেও চাকু দেকিয়ে ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে। এলাকাবাসী এক প্রর্যায়ে পুলিশকে ফোন দিলে তারা আমাদেরকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।


এলাকাবাসী সুমি আক্তার বলেন, আমি বাড়িতে ছিলাম হঠাৎ চিৎকার শুনে বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে দেখি রক্তাক্ত অবস্থায় বাবা ছেলে পড়ে আছে। আমরা এগিয়ে আসতে চাইলে মইদুলের দুই ছেলে চাকু বের করে আমাদেরকে ভয়-ভীতি দেখায় এরপর আমরা থানায় ফোন দিলে তারা পালিয়ে যায়। অবস্থা গুরুতর হওয়ার কারণে চার্জার (টমটম) করে প্রথমে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করায়। অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পরে জানতে পারি রায়হানকে রাজশাহী হাসপাতলে আইসিওতে নেওয়া হয়েছে। আসলে আমরা গ্রামবাসী অনেক আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।


ঘটনাটির সত্যতা স্বীকার করে নওগাঁ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) নজরুল ইসলাম জুয়েল বলেন, এ বিষয়ে থানায় একটি মামলা রুজু হয়েছে।অসমিদের ধরার জন্য চেষ্টা অব্যাহত আছে যে কোন মুহূর্তে তাদেরকে ধরে বিচার এর জন্য জেল হাজতে প্রেরণ করা হবে।


আরও খবর



যতোটা না পেশা তার চেয়ে অনেক বেশি নেশা সাংবাদিকতা

প্রকাশিত:Monday ৩০ May ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৯৯জন দেখেছেন
শেখ মোস্তফা কামাল(যশোর জেলা প্রতিনিধি)

Image



সাংবাদিকরা খবরের সন্ধান করেন, খবরের পেছনে ছোটেন, খবর নির্বাচন করেন, সম্পাদনা করেন, সংশোধন করেন। সাংবাদিকরা যা করেন, তা হচ্ছে সাংবাদিকতা। সাংবাদিকতা হচ্ছে কাজ।কাজ হচ্ছে তথ্য সংগ্রহ করা, প্রতিবেদন লেখা এবং সম্পাদনা করা। সততা একজন সাংবাদিকের সবচেয়ে বড় গুণ। অনেক যোগ্যতা ও দক্ষতা থাকলেও সততার অভাবে সাংবাদিকদের অর্জিত সম্মান ধুলোয় মিশে যেতে পারে। সাংবাদিকতা যতোটা না পেশা তার চেয়ে অনেক বেশি নেশা, ভালোলাগা। এই নেশাটা হচ্ছে দেশের জন্য, মানুষের জন্য কিছু করার নেশা।


সাংবাদিক সুমন চক্রবর্তী-প্রকাশক,দৈনিক কলম কথা


শুভেচ্ছান্তেঃ- শেখ মোস্তফা কামাল, যশোর জেলা প্রতিনিধি 

চ্যানেল থ্রি বাংলা


আরও খবর



ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক

প্রকাশিত:Tuesday ৩১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৮৪জন দেখেছেন
মোঃ হামিদুল ইসলাম কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি

Image



মোঃ হামিদুল  ইসলাম 

কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ


কুড়িগ্রামের উলিপুরে ১০০পিস ইয়াবাসহ নয়ন মিয়া(৩৫) ও আব্দুল মালেক(৩০) নামের দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। আটক নয়ন তবকপুর ইউনিয়নের দক্ষিন উমানন্দ এলাকার নজরুল ইসলামের পুত্র। এবং আব্দুল মালেক চিলমারী উপজেলার থানাহাট বাজার(ছমচপাড়া) এলাকার মোতালেব মিয়ার পুত্র।


পুলিশ সুত্রে জানাযায়, সোমবার সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উলিপুর থানার এসআই হারিছুর রহমান, মশিউর রহমান, এএসআই সোহাগ পারভেজ,এএসআই আবুল হাসেম সহ সংগীয় ফোর্স অভিযান চালিয়ে তবকপুর ইউনিয়নের দক্ষিন উমানন্দ কুঠিপাড়া গ্রামস্থ জনৈক ব্যক্তির পরিত্যক্ত বাড়ী থেকে ১০০পিস ইয়াবা ও ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত লাল-কালো রংয়ের হিরো ইগনিটোর ১২৫সিসি রেজিঃ বিহীন মোটরসাইকেলসহ নয়ন মিয়া ও আব্দুল মালেক কে আটক করা হয়। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপর মাদক ব্যবসায়ী পালিয়ে যায়। আটক নয়ন মাদক পাচার করতে গিয়ে দীর্ঘদিন পূর্বে সড়ক দূর্ঘটনায় তার একটি পা হারায়। পরবর্তী সময়ে সুস্থ্য হয়ে সে মাদক ব্যবসা পুনঃরায় চালু করে এবং বিভিন্ন স্থান হইতে ইয়াবা ট্যাবলেট কমদামে ক্রয় করিয়া তার ব্যবহৃত লাল-কালো রংয়ের হিরো ইগনিটোর ১২৫সিসি রেজিঃ বিহীন মোটর সাইকেলটিতে মাদক বহন করে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রয় করে আসছিলো।


মঙ্গলবার(৩১ মে) দুপুরে উলিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) ইমতিয়াজ কবির জানান, আটক মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। পলাতক আসামীকে গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।


আরও খবর



আপনার এলাকার সংবাদ পাঠাতে পারেন channel3bangla@gmail.com এই মেইলে।

প্রকাশিত:Monday ৩০ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২২ June 20২২ | ৪৮জন দেখেছেন
চ্যানেল থ্রি বাংলা অনলাইন ডেক্স

Image

আপনার এলাকার সংবাদ পাঠাতে পারেন channel3bangla@gmail.com এই মেইলে।


আরও খবর