Logo
আজঃ Sunday ২৬ June ২০২২
শিরোনাম
পবিপ্রবিতে বিশ্ব সমুদ্র দিবস পালিত অপহরণের ৩ মাস ২০ দিন পর মরদেহ উদ্ধার, মেম্বারসহ গ্রেফতার ৩ চির যৌবনপ্রাপ্ত হওয়ার নেশায় বৃদ্ধাকে হত্যা করে পুরুষাঙ্গ, অন্ডকোষ, চোখ তুলে নেওয়া খুনি ও হুকুমদাতা গ্রেফতার পবিপ্রবিতে বরিশাল বিভাগীয় রোভার মেট ওয়ার্কশপে’র উদ্বোধন ঝিনাইদহে মিছিলে গুলি ও সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে আ’লীগের বিরাট প্রতিবাদ সমাবেশ কেশবপুরে ধুমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ত্রণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত চৌগাছায় পুলিশের হাতে ২'শত ফেনসিডিলসহ ২ জন গ্রেফতার দলের সিদ্ধান্ত অমান্য পদ পদবি গোপন করে পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি নেতারা ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক নওগাঁয় চাঁদার টাকা না পেয়ে চুরি আঘাত করে হত্যা চেষ্টা বাবা-ছেলেকে, পলাতক আসামী!

পাটকেলঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ঋষিকেশ রায় জাতীয় দাবা প্রতিযোগিতায় জেলা চাম্পিয়ন

প্রকাশিত:Tuesday ২৪ May ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৬৯জন দেখেছেন
সুমন কুমার ঘোষ ( সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি)

Image


সুমন কুমার ঘোষঃ সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধিঃ


সাতক্ষীরায় জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতা- ২০২১ এর দাবা খেলায় জেলা চ্যাম্পিয়ান হয়েছেন ওসি পুত্র ঋষিকেশ রবি রায় । ঋষিকেশ পাটকেলঘাটা থানার ওসি কাঞ্চন রায়ের ছেলে। 

বর্তমানে সে পাটকেলঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির ছাত্র ।


 

মঙ্গলবার সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তন কক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এই প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় ঋষিকেশ রবি রায় অপরাজিত থেকে জেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।



এক সাক্ষাৎকারে  পাটকেলঘাটা থানার ওসি কাঞ্চন কুমার রায় জানান, সকালে জেলার ৭ টি উপজেলা থেকে প্রথম স্থান অর্জনকারি ৭ জন প্রতিযোগি এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। এসময় তাদের হারিয়ে আমার ছেলে প্রথম স্থান অধিকার করে। পুত্রের এ বিজয়ে পাটকেলঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষিকারা  সহ  জেলা পুলিশ পরিবার পক্ষ থেকে রবি কে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে । ভবিষ্যতে সে যেন লেখাপড়া ও খেলাধুলায়  সুনাম অর্জন করতে পারে সেজন্য তিনি সকলের কাছে আশির্বাদ প্রার্থনা করেছেন।


 


ঋষিকেশ রবি রায়ের দাবা কোচ পাটকেলঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক ওলিউল ইসলাম জানান, তার ভিতরে অনেক প্রতিভা রয়েছে। সে আরো প্রশিক্ষণ পেলে ভালো দাবাড়ু হয়ে দেশের সুনাম বয়ে নিয়ে আসবে বলে আমাদের ধারণা।


আরও খবর



নওগাঁয় চাঁদার টাকা না পেয়ে চুরি আঘাত করে হত্যা চেষ্টা বাবা-ছেলেকে, পলাতক আসামী!

প্রকাশিত:Tuesday ৩১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৮৩জন দেখেছেন
এ,কে এম কামাল উদ্দিন টগর ( নওগাঁ জেলা বিশেষ প্রতিনিধি)

Image



  কামাল উদ্দিন টগর নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ নওগাঁয় চাঁদার টাকা না পেয়ে চুরি আঘাত করে হত্যা চেষ্টা বাবা-ছেলেকে, পলাতক আসামী। ঘটনাটি ঘটেছে গত ২৭মে শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায়। বসতবাড়ির নির্মাণাধীন বাড়ির ছাদের কার্নিশ ভাঙ্গাকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে নওগাঁ সদর উপজেলার খাঁস নওগাঁ হঠাৎ পাড়ার মোছাঃ রেহেনা বেগমের স্বামী মো. নূর ইসলাকে ও ছেলে মো. রায়হান হোসেনকে হত্যার উদ্দেশে একই গ্রামের মো.মইদুল হোসেনের ছেলে মো. নিরব হোসেন (২৪)ও মো. মিজল হোসেন(২২) পেটে চাকু মেরে পালিয়ে যায়। 


 মোছাঃ রেহেনা বেগম বলেন, আমাদের বাড়ি নির্মণ কাজ চলাকালীন সময়ে বিভিন্ন ভাবে চাদাঁ দাবী করে আসছিল মো.মইদুল হোসেনের দুই ছেলে। চাদাঁর টাকা না পেয়ে তারা নির্মাণাধীন ছাদের কার্নিশ ভাঙ্গতে যায়। কার্নিশ ভাঙ্গাকে কেন্দ্র করে কথা কাটা-কাটির এক পর্যায়ে অকাথ্য ভাষায় গালাগালি করতে-করতে ধারালো চাকু নিয়ে জোরপূর্বক বাড়িতে প্রবেশ করে মো. মিজল হোসেনের স্ত্রী মোছা. মুক্তা (৪৫) হুকুমে আমার ছেলে মো. রায়হান হোসেন কে হত্যার উদ্যেশে মো. নিরব হোসেনের হাতে থাকা চাকু দিয়ে পেটে আঘাত করলে পেটের ডান পাশে কেটে মারাত্মক ভাবে জখম হয়। ওই সময় মো. মিজলের হাতে থাকা চাকু দিয়ে আঘাত করলে দু হাত দিয়ে প্রতিহত করলে বাম হাত কেটে রক্তাক্ত হয়ে যায়। ওই সময় আমার স্বামী মো. নূর ইসলাম এগিয়ে আসলে মিজল হোসেনের হাতে থাকা চাকু দিয়ে পেটে আঘাত করলে আমি এগিয়ে আসলে রেহেনা বেগম ও তার ছেলেরা আমাকে বেধড়ক পিটািতে থাকে। এমন অবস্থায় গ্রাম বাসী এগিয়ে আসলে তাদেরকেও চাকু দেকিয়ে ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে। এলাকাবাসী এক প্রর্যায়ে পুলিশকে ফোন দিলে তারা আমাদেরকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।


এলাকাবাসী সুমি আক্তার বলেন, আমি বাড়িতে ছিলাম হঠাৎ চিৎকার শুনে বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে দেখি রক্তাক্ত অবস্থায় বাবা ছেলে পড়ে আছে। আমরা এগিয়ে আসতে চাইলে মইদুলের দুই ছেলে চাকু বের করে আমাদেরকে ভয়-ভীতি দেখায় এরপর আমরা থানায় ফোন দিলে তারা পালিয়ে যায়। অবস্থা গুরুতর হওয়ার কারণে চার্জার (টমটম) করে প্রথমে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করায়। অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পরে জানতে পারি রায়হানকে রাজশাহী হাসপাতলে আইসিওতে নেওয়া হয়েছে। আসলে আমরা গ্রামবাসী অনেক আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।


ঘটনাটির সত্যতা স্বীকার করে নওগাঁ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) নজরুল ইসলাম জুয়েল বলেন, এ বিষয়ে থানায় একটি মামলা রুজু হয়েছে।অসমিদের ধরার জন্য চেষ্টা অব্যাহত আছে যে কোন মুহূর্তে তাদেরকে ধরে বিচার এর জন্য জেল হাজতে প্রেরণ করা হবে।


আরও খবর



অপহরণের ৩ মাস ২০ দিন পর মরদেহ উদ্ধার, মেম্বারসহ গ্রেফতার ৩

প্রকাশিত:Thursday ০২ June 2০২2 | হালনাগাদ:Friday ২৪ June ২০২২ | ৬৯জন দেখেছেন
মোঃ হামিদুল ইসলাম কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি

Image


   মোঃ হামিদুল ইসলাম 

কুড়িগ্রাম জেলা  প্রতিনিধি 



কুড়িগ্রামের রৌমারীতে বিরোধের জেরে শালু মিয়া (৩৫) কে অপহরণের ৩ মাস ২০ দিন পর মাটিতে পুঁতে রাখা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। 


বৃহস্পতিবার , ২জুন বিকেলে উপজেলার বাঘেরহাটের দক্ষিন পাশের টেকানী গ্রামের জিন্জিরাম নদীর পাড় থেকে মাটি খুড়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।


এর আগে এই বছরের ১১ ফেব্রয়ারি রাতে শালু মিয়া (৩৫) কে অপহরণ করে গুম করার অভিযোগ ওঠে। পরে ২৯ এপ্রিল স্বামী শালু মিয়াকে অপহরণের অভিযোগ এনে ইউপি সদস্য জাকির হোসেন, খয়বর আলীসহ অজ্ঞাত আরও তিন জনকে আসামি করে রৌমারী থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন স্ত্রী রেজেকা খাতুন।


এ ঘটনায় গত ৩০ মে রাতে মোবাইল ট্রাকিংয়ের মাধ্যমে ইউপি সদস্য জাকির হোসেনকে ঢাকায় গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে রৌমারী থানায় এনে ৩১ মে কুড়িগ্রাম জেল হাজতে পাঠানো হয়। গ্রেফতারকৃত জাকির হোসেন উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও একই ইউনিয়নের চর কাউয়ারচর  (বাঘের হাট) গ্রামের সোহরাব আলীর ছেলে। হত্যার শিকার শালু মিয়া (৩৫) একই ইউনিয়নের কাউয়ারচর গ্রামের মৃত চাঁন মন্ডলের ছেলে।


এরপর ঘটনার সুত্র ধরে গত বুধবার (১ জুন) ঢাকায় অভিযান চালিয়ে শালু মিয়া হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত খয়বর আলী ও জিয়াকে গ্রেফতার করে রৌমারীতে এনে তাদের দেয়া তথ্য মতে বৃহস্পতিবার (২জুন) শালু মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।


গ্রেফতারকৃত খয়বর আলী (৩২) রৌমারী উপজেলার ঝগড়ার চরের ছলে হকের পুত্র এবং জিয়া (৫০) একই উপজেলার কাউয়ার চরের তালেব এর পুত্র।


হত্যার শিকার শালু মিয়ার স্ত্রী রেজেকা খাতুন বলেন, আমার স্বামী শালু মিয়ার সাথে দীর্ঘদিন ধরে ইউপি সদস্য জাকির হোসেনের ব্যবসায়িক বিরোধ চলে আসছিল। এর সূত্র ধরে চলতি বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিষয়টি মীমাংসার জন্য জাকির হোসেন আমার স্বামীকে ফোনে দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের সুইচগেট এলাকায় যেতে বলেন। আমার স্বামী তার ফোন পেয়ে দ্রুত উক্তস্থানে চলে যান। 

আমিও তার পিছু পিছু সেখানে যাই। গিয়ে দেখি জাকির হোসেন, খয়বর আলীসহ অজ্ঞাত আরও দুই তিন জন সেখানে আগে থেকেই অবস্থান করছিলেন। তাদের সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে আমার স্বামীকে জোর পূর্বক তারা তুলে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায় নাই। পরে তারা নানা ধরণের টালবাহানা করতে থাকেন। তারা তাকে অপহরণের পর গুম করেছে। 


রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ মোন্তাছের বিল্লাহ জানান, গত ৩০ মে মামলার প্রধান আসামী ইউপি সদস্য জাকির হোসেনকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানোর পর  বুধবার (১জুন) ঢাকায় অভিযান চালিয়ে খয়বর আলী ও জিয়াকে গ্রেফতার করে রৌমারীতে এনে তাদের দেয়া তথ্যমতে শালু মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।অন্যদের ক্ষেত্রেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।


আরও খবর



নিয়ামতপুরে আনোয়ারা পোল্ট্রি ফার্মের গরম বাতাসে ধান চিটা হওয়ার অভিযোগ

প্রকাশিত:Sunday ২৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Thursday ২৩ June ২০২২ | ৭৮জন দেখেছেন
মোঃ সিরাজুল ইসলাম নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি -১

Image



  নিয়ামতপুর(নওগাঁ)প্রতিনিধিঃ নওগাঁর নিয়ামতপুরে আনোয়ারা পোল্ট্রি ফার্মের গরম বাতাসের কারণে বোরো ধান চিটা হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শাহিন আলম ও আলাউদ্দিন নয়, নিয়ামতপুর উপজেলার হাজিনগর ইউনিয়নের উপরকুড়া শালবাড়ী গ্রামের অনেক কৃষকের স্বপ্নই নষ্ট হলো গরম বাতাসের কারণে। প্রায় ১৪ বিঘা জমিতে ওই গরম বাতাসের বোরো ধান চিটা হয়েছে। উপজেলার হাজিননগর ইউনিয়নের উপরকুড়া শালবাড়ী এলাকায় অবস্থিত আনোয়ারা পোল্ট্রি ফার্মের গরম বাতাসের কারণে এ ঘটনাটি ঘটেছে বলে দাবী কৃষকদের।


সরেজমিনে দেখা যায়, আনোয়ারা পোল্ট্রি ফার্মের আশেপাশের, অনেক জমির ধান অনেকটা সাদা রং ধারণ করেছে৷ হঠাৎ উঠতি ফসলের এ অবস্থায় কৃষকেরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন৷ আনোয়ারা পোল্ট্রি ফার্মের কারণে ক্ষতি হয়েছে কিনা জানতে চাইলে আমান গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান আনোয়ারা পোল্ট্রি এন্ড হ্যাচারীর সহকারী ম্যানেজার মতিউল হাসান বলেন, যে কৃষক অভিযোগ করেছে, এটা উদ্দেশ্যপ্রণীত বা ভিত্তিহীন। এটা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ক্ষতি হয়েছে বা গরম বাতাসের কারণে হয়ে থাকতে পারে। তবে আমার মনে হয় তাদের অভিযোগটি উদ্দেশ্যপ্রণীত বা ভিন্নহীন।



ভুক্তভোগী কৃষক শাহিন আলম ও আলাউদ্দিন  জানান,ধার দেনা করে জমিতে ধান চাষ করেছি। আশা ছিল, এই ফসল থেকেই কেটে যাবে সারা বছর। কিন্তু আনোয়ারা পোল্ট্রি ফার্মের গরম বাতাসে সেই ধান চিটা হয়ে গিয়েছে। আমাদের ১৪ বিঘা আবাদ গরম বাতাসের কারণে ধান চিটা হয়েছে। এছাড়া সহ প্রায় কয়েক জন কৃষক এই ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। তারা আরোও জানান, শেষ সম্বলটুকু দিয়ে আবাদ করে এভাবে তীরে এসে তরি ডোবায় দিশেহারা হয়ে পড়েছি৷ আবার বাতাসের কারণে আশেপাশে পরিবেশে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হচ্ছে।


উপজেলা কৃষি অফিসার আমীর আব্দুল্লাহ ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, বিষয়টি আমার দৃষ্টি গোচরে আসে নাই। মাঠে ধান থাকা অবস্থায় অভিযোগ পেলে বিষয়টি নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে কি কারণে ক্ষতি হয়েছে তা জানা যেত। যতি ধান ক্ষেতে গরম বাতাসে নিয়মিত প্রবাহিত হয়ে থাকে, তাহলে ক্ষেতে ধান ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।


এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। অত্র এলাকার হাজিনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।


আরও খবর



শ্রী শ্রী লোকনাথ বাবার ১৩২ তম তিরোধান দিবসে লোকনাথ নার্সিং হোমে লোকনাথ বাবার পুজা অনুষ্ঠিত।

প্রকাশিত:Friday ০৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Thursday ২৩ June ২০২২ | ৯৯জন দেখেছেন
মোঃ মামুন সিকদার (ব্যবস্থাপনা পরিচালক)

Image

আজ ১৯ জ্যৈষ্ঠ বাবা লোকনাথের তিরোধান দিবস। আজও আমরা সমস্যায় পড়লে বাবা লোকনাথের একটি বাণী স্মরণ করি। লোকনাথ বাবা বলে গিয়েছেন, 'রণে বনে জঙ্গলে যখন বিপদে পরিবে, আমাকে স্মরণ করিও আমিই রক্ষা করিব।' লোকনাথ ব্রহ্মচারীর এই বাণীকে সম্বল করে আমরা কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করে এগিয়ে চলেছি।

Loknath Baba-র তিরোধান দিবস আজ। ১২৯৭ বঙ্গাব্দের ১৯ জ্যৈষ্ঠ (ইংরেজি ১ জুন ১৮৯০ খ্রিষ্টাব্দ) মহাপ্রয়ান লাভ করেন বাবা লোকনাথ। আজ ১৯ জ্যৈষ্ঠ, ৩ জুন লোকনাথ বাবার তিরোধান দিবস।


কথিত আছে, বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের বারদী আশ্রমে মহাসমাধি লাভ করেন লোকনাথ ব্রহ্মচারী। বারদীতে বসবাসকালে এক ভক্ত নিদের ছেলের যক্ষ্মা সারিয়ে দেওয়ার আর্জি নিয়ে তাঁরা কাছে আসেন। বাবা লোকনাথ বুঝতে পারেন যে সেই ছেলের আয়ু প্রায় শেষ। কিন্তু ভক্তের কল্যাণের উদ্দেশে তিনি সেই ছেলের শরীরের যক্ষ্মা নিজ শরীরে ধারণ করেন। সেই ভক্তের সন্তান ধীরে ধীরে রোগ মুক্ত হয়ে ওঠে। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই তার মৃত্যু হয়। কিন্তু যক্ষ্মা রোগ ক্রমশ বাবা লোকনাথের শরীরে বাড়তে থাকে। ১৯ জ্যৈষ্ঠ্য তিনি দেহত্যাগের কথা ঘোষণা করেন। এর পরই বারদী আশ্রমে প্রচুর ভক্ত সমাগম হয়। ১৯ জ্যৈষ্ঠ্যে দুপুর ১১টা ৪৫ মিনিটে মহাসমাধিতে মগ্ন হন লোকনাথ ব্রহ্মচারী। এ সময় তাঁর বয়স হয়েছিল ১৬০ বছর বয়স।


বাবা লোকনাথকে শিব লোকনাথও বলা হয়। নিজের উপদেশের মাধ্যমে বহু যুগ ধরে জগৎ সংসারকে সমৃদ্ধ করেছেন বাবা লোকনাথ। আজও তাঁর সেই বাণী সমান প্রাসঙ্গিক। লোকনাথ বাবার তিরোধান দিবসে তাঁর কিছু উপদেশ তুলে ধরা হল--


১. যাহারা আমার নিকট আসিয়া, আমার আশ্রয় গ্রহণ করে তাহাদের দুঃখে আমার হৃদয় আদ্র হয়। এই আদ্রতাই আমার দয়া ইহাই আমার শক্তি, যা তাদের উপর প্রসারিত হয় এবং তাহাদের দুঃখ দূর হয়।


২. সত্যের মতো পবিত্র আর কিছু নেই, সত্যিই স্বর্গ গমনের একমাত্র সোপান রূপ সন্দেহ নেই।


৩. যে ব্যক্তি সকলের সুহৃদ আর যিনি কায়মনোবাক্যে সকলের কল্যাণ সাধন করেন তিনি যথার্থ জ্ঞানী।


৪. অর্থ উপার্জন করা, তা রক্ষা করা আর তা ব্যয় করার সময় বিশ্ব দুঃখ ভোগ করতে হয়। অর্থ সকল অবস্থাতেই মানুষকে কষ্ট দেয়। তাই অর্থ ব্যয় হলে বা চুরি হলে তার জন্য চিন্তা করে কোনও লাভ নেই।


৫. গর্জন করবি কিন্তু আহাম্মক হবি না, ক্রোধ করবি কিন্তু ক্রোধান্ধ হবি না।


৬. যে ব্যক্তি কৃতজ্ঞ, ধার্মিক, সত্যচারী, উদারচিত্ত, ভক্তিপরায়ন, জিতেন্দ্রিয়, মর্যাদা রক্ষা করতে জানে আর কখনও আপন সন্তানকে পরিত্যাগ করেন না, এমন ব্যক্তির সঙ্গে বন্ধুত্ব করুন।


৭. আমিও তোদের মত খাই-দাই মল-মূত্র ত্যাগ করি। আমাকেও তোদের মতোই একজন ভেবে নিস। আমাকে তোরা শরীর ভেবে ভেবেই সব মাটি করলি আর আমি যে কে, তা আর কাকে বোঝাবো। সবাই তো ছোট ছোট চাওয়া নিয়ে ভুলে রয়েছে, জানল না প্রকৃত আমি কে?


৮. দীন দরিদ্র অসহায় মানুষের হাতে যখন যা দিবি তা আমিই পাব, আমি গ্রহণ করব। দরিদ্রতায় ভরা সমাজের দুঃখ দূর করার চেষ্টা করবি।


৯. গীতা কি আর নিত্য পাঠ করাপর জিনিস, গীতা যে গীতা। গীতা পাঠ করলে কী হবে, শোনার চেষ্টা করতে হবে। প্রতিটি জীব হৃদয়ে বসে যে ভগবান নিত্য গীতা শোনাচ্ছেন, যেদিন শুনবি সেদিন গীতা হয়ে যাবি।


১০. প্রতিদিন রাতে শোবার সময় সারাদিনের কাজের হিসেব-নিকেশ করবি। অর্থাৎ ভালো কাজ কী কী করেছিস আর খারাপ কাজ কী কী করেছিস? যে সকল খারাপ বলে বিবেচনা করলি, সে সকল কাজ আর যাতে না করতে হয় সেদিকে খেয়াল রাখবি।


১১. আমার ওপর আস্থা, বিশ্বাস, যা বাড়বে, ততই তোদের সর্ব অভীষ্ট সফল হবে।


১২. যে কর্ম মনে তাপ সৃষ্টি করে তাই পাপ। যে কর্মের মধ্য দিয়ে আত্মসচেতনতা বা শক্তির ভাব মনকে ভরিয়ে তোলে, তাই পুণ্য এবং স্বর্গ তুল্য।


১৩. আমি শরীর ছেড়ে দিয়েছি। কিন্তু ভক্তের রক্ষা করার জন্য আমি সর্বদাই ভক্তের সঙ্গে রয়েছি। তোদের চোখ নেই, তাই তো তোরা আমায় দেখেও দেখিস না।


১৪. পিতা-মাতা তাঁরা যতই বৃদ্ধ হোক না-কেন পিতামাতাই। তাঁদের খুশি করার জন্য বিরক্ত না হয়ে বার বার তাঁদের প্রশ্নের উত্তর দিবি। আর কোনও কারণ জিজ্ঞাসা না-করে তাঁদের ইচ্ছা পূরণ করার চেষ্টা করবি।


১৫. সূর্য উঠলে যেমন আধার পালিয়ে যায়, গৃহস্থের ঘুম ভেঙে গেলে যেমন চোর পালিয়ে যায়, ঠিক তেমনি বার বার বিচার করলে খারাপ কাজ করার প্রবৃত্তি পালিয়ে যাইবে।


আরও খবর



দলের সিদ্ধান্ত অমান্য পদ পদবি গোপন করে পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি নেতারা

প্রকাশিত:Tuesday ৩১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ২৫ June ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
সুমন কুমার বিশ্বাস ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি

Image


সুমন কুমার বিশ্বাস 

ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি 


বিএনপি সব ধরণের নির্বাচন থেকে বিরত থাকলেও পদ পদবী গোপন কের ঝিনাইদহ বিএনপির এক ঝাক নেতা পৌরসভা নির্বাচন করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে দলের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। জেলা নেতৃবৃন্দ এ বিষয়ে এখনো কোন সিদ্ধান্ত গ্রহন করেনি বলে জানা গেছে। জেলা বিএনপি সিদ্ধান্ত নিলে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করার দায়ে এসব পদধারী নেতারা বহিস্কার হতে পারেন। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, আসন্ন ঝিনাইদহ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে বিএনপি ও তার জোটের কোন প্রার্থী নেই। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক দেশের কোথাও বিএনপির প্রার্থীরা অংশ নিচ্ছেন না। কিন্তু ঝিনাইদহ পৌরসভা নির্বাচনে পৌর বিএনপির পদধারী নেতারা অংশ নিচ্ছেন। আওয়ামীলীগের পাশাপাশি তারাও নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় তাদের পোস্টার শোভা পাচ্ছে। আগামী ১৫ জুন অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ঝিনাইদহ পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শেখর এবারো কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হয়েছেন। তিনি ৬ নং ওয়ার্ড থেকে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। এছাড়া ঝিনাইদহ পৌর বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান খান মিঠু পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড থেকে, পৌর বিএনপির সহ সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম ৫ নং ওয়ার্ড থেকে, বিএনপি নেতা তোফাজ্জেল হোসেন ৪নং ওয়ার্ড থেকে, পৌর বিএনপির সহ সভাপতি ও সাবেক যুবদল নেতা মোঃ মহিউদ্দিন ৮নং ওয়ার্ড থেকে, বিএনপি নেতা দুলাল শাহ ২নং ওয়ার্ড থেকে ও পৌর মহিলা দল নেত্রী মোছাঃ আনজুয়ারা খাতুন আনজু সংরক্ষিত ৪,৫,ও ৬ নং ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করছেন। নির্বাচনে তারা জয়ী হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। তবে নির্বাচন নিয়ে এ সব নেতারা মুখ খুলতে নারাজ। বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা বলেন, কাউন্সিলর পদে নেতারা অংশ নিচ্ছেন এটা আমি দেখেছি। তবে আমরা সদ্য সম্মেলন ও কাউন্সিলের মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহন করেছি। বিষয়টি যচাই বাছাই করে সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হবে।


আরও খবর