Logo
আজঃ Sunday ২৬ June ২০২২
শিরোনাম
পবিপ্রবিতে বিশ্ব সমুদ্র দিবস পালিত অপহরণের ৩ মাস ২০ দিন পর মরদেহ উদ্ধার, মেম্বারসহ গ্রেফতার ৩ চির যৌবনপ্রাপ্ত হওয়ার নেশায় বৃদ্ধাকে হত্যা করে পুরুষাঙ্গ, অন্ডকোষ, চোখ তুলে নেওয়া খুনি ও হুকুমদাতা গ্রেফতার পবিপ্রবিতে বরিশাল বিভাগীয় রোভার মেট ওয়ার্কশপে’র উদ্বোধন ঝিনাইদহে মিছিলে গুলি ও সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে আ’লীগের বিরাট প্রতিবাদ সমাবেশ কেশবপুরে ধুমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ত্রণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত চৌগাছায় পুলিশের হাতে ২'শত ফেনসিডিলসহ ২ জন গ্রেফতার দলের সিদ্ধান্ত অমান্য পদ পদবি গোপন করে পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি নেতারা ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক নওগাঁয় চাঁদার টাকা না পেয়ে চুরি আঘাত করে হত্যা চেষ্টা বাবা-ছেলেকে, পলাতক আসামী!

সবুজ আন্দোলনের "লাল সংকেতে জলবায়ু" বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:Friday ২৫ February ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ১০৬জন দেখেছেন
ডাঃ মাহতাব হোসাইন মাজেদ

Image

প্রেস বিজ্ঞপ্তি


সবুজ আন্দোলনের "লাল সংকেতে জলবায়ু" বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত



পরিবেশবাদী সংগঠন সবুজ আন্দোলনের উদ্যোগে পরিবেশ বিষয়ক" লাল সংকেতে জলবায়ু" বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি একুশে বই মেলায়। সবুজ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান বাপ্পি সরদার'র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মোঃ শাহাবউদদ্দিন এম.পি ।আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে মোড়ক উন্মোচন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ডক্টর মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, ঢাকা প্রকাশ'র প্রধান সম্পাদক মোস্তফা কামাল, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বাংলাদেশ প্লানার্স ইনস্টিটিউটের সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. আদিল মোহাম্মদ খান, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের উপ -সচিব মোঃ আজিজুর রহমান, সবুজ আন্দোলন পরিচালনা পরিষদের মহাসচিব মহসিন সিকদার পাভেল , বইয়ের লেখক সবুজ আন্দোলনের পরিচালক বন্যপ্রানী বিশারদ আলম শাইন।


প্রধান অতিথি বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি সবুজ আন্দোলনকে। পরিবেশ বিপর্যয় রোধে  সব সময় দেশের জন্য জনসচেতনতা তৈরিতে কাজ করছেন। আগামী প্রজন্মের জন্য বাংলাদেশকে নিরাপদ করতে পরিবেশ সংরক্ষণের কোন বিকল্প নেই। আন্তর্জাতিক জলবায়ু তহবিল আদায়ের জন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। 


লেখক আলম শাইন বলেন, পরিবেশ বিপর্যয় রোধে আমার এই লাল সংকেতে জলবায়ু বই কিছুটা হলেও জনগণকে সচেতন করতে পারবে। তরুণ প্রজন্মের মাঝে পরিবেশ বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরির কোন বিকল্প নেই। এই প্রকাশনার জন্য বিশেষ ভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি স্টুডেন্ট ওয়েজ  প্রকাশনা ও সবুজ আন্দোলনকে। 


বাপ্পি সরদার বলেন, আমরা সব সময় পরিবেশ বিপর্যয় রোধে জনসচেতনতায় কাজ করছি। আলম শাহিন শুধু সবুজ আন্দোলন নয় বাংলাদেশের জন্য উজ্জ্বল নক্ষত্র। আগামীতে নতুন নতুন পরিবেশ বিষয়ক বই প্রকাশ করা সম্ভব হবে বলে বিশ্বাস করি।


 এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সবুজ আন্দোলন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সহ- দপ্তর সম্পাদক আব্দুল আজিজ, নারী পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক কবি শিল্পী মাহমুদা, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহ-সভাপতি লেখক মির্জা আনোয়ার পারভেজ, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়া আক্তার, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ বাবুল মিয়া, ছাত্র পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ রাইন আলম, সদস্য তানবীর ইয়াসমিন অনু প্রমুখ।


বার্তা প্রেরক

সোহেল রানা

দপ্তর সম্পাদক

সবুজ আন্দোলন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ।

০১৭০৭-০৬১১৮৩।


আরও খবর



কেশবপুরে ধুমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ত্রণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:Thursday ০২ June 2০২2 | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৬০জন দেখেছেন
শেখ মোস্তফা কামাল(যশোর জেলা প্রতিনিধি)

Image


শেখ মোস্তফা কামাল যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ-

কেশবপুরে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ধুমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ত্রণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২জুন (বৃহস্পতিবার) সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ওই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। 


প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম এম আরাফাত হোসেন সভাপতিত্ব করেন এবং ধুমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের কুফল সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

প্রধান অতিথি হিসেবে প্রশিক্ষণের শুভ উদ্বোধন করেন ও বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ আরিফুজ্জামান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন, কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ বোরহান উদ্দীন।


কর্মশালায় বক্তারা ধুমপান ও তামাকজাত দ্রব্যাদির কুফল সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে তুলে ধরেন এবং তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের বিধি-বিধান তুলে ধরে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের আহ্বান জানান।


প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহনকরেন উপজেলা কৃষি অফিসার ঋতুরাজ সরকার, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পলাশ কুমার মল্লিক, কেশবপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফ-উজ-জামান খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি তপন কুমার ঘোষ মন্টু, ন্যাশনাল প্রেস সোসাইটি, গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থা কেশবপুর উপজেলা শাখার সভাপতি শামীম আখতার মুকুল, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পুলোক কুমার সিকদার, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রুপালী রানী, প্রাথমিক শিক্ষা ইন্সট্রাক্টর মোঃ রবিউল ইসলাম, উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা এম এম আলমগীর কবীর, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও কাউন্সিলর শেখ ইবাদত সিদ্দিকী বিপুল, পৌর কাউন্সিলর আফজাল হোসেন বাবু, কেশবপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস আর সাঈদ, সমাজ উন্নয়ন সংস্থা ওয়ার্ডের নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ আকমাল আলী, মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী, কেশবপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নান, নিউজ ক্লাবের সভাপতি এম এ রহমান, সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রভাষক আলাউদ্দীন আলা, মজিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ূন কবির পলাশ, বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন, মঙ্গলকোট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের বিশ্বাস, সুফলাকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম মুনজুর হোসেন, হাসানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তৌহিদুজ্জামান তৌহিদ, সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা বাবুসহ শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ।


আরও খবর



দলের সিদ্ধান্ত অমান্য পদ পদবি গোপন করে পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি নেতারা

প্রকাশিত:Tuesday ৩১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ২৫ June ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
সুমন কুমার বিশ্বাস ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি

Image


সুমন কুমার বিশ্বাস 

ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি 


বিএনপি সব ধরণের নির্বাচন থেকে বিরত থাকলেও পদ পদবী গোপন কের ঝিনাইদহ বিএনপির এক ঝাক নেতা পৌরসভা নির্বাচন করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে দলের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। জেলা নেতৃবৃন্দ এ বিষয়ে এখনো কোন সিদ্ধান্ত গ্রহন করেনি বলে জানা গেছে। জেলা বিএনপি সিদ্ধান্ত নিলে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করার দায়ে এসব পদধারী নেতারা বহিস্কার হতে পারেন। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, আসন্ন ঝিনাইদহ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে বিএনপি ও তার জোটের কোন প্রার্থী নেই। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক দেশের কোথাও বিএনপির প্রার্থীরা অংশ নিচ্ছেন না। কিন্তু ঝিনাইদহ পৌরসভা নির্বাচনে পৌর বিএনপির পদধারী নেতারা অংশ নিচ্ছেন। আওয়ামীলীগের পাশাপাশি তারাও নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় তাদের পোস্টার শোভা পাচ্ছে। আগামী ১৫ জুন অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ঝিনাইদহ পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শেখর এবারো কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হয়েছেন। তিনি ৬ নং ওয়ার্ড থেকে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। এছাড়া ঝিনাইদহ পৌর বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান খান মিঠু পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড থেকে, পৌর বিএনপির সহ সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম ৫ নং ওয়ার্ড থেকে, বিএনপি নেতা তোফাজ্জেল হোসেন ৪নং ওয়ার্ড থেকে, পৌর বিএনপির সহ সভাপতি ও সাবেক যুবদল নেতা মোঃ মহিউদ্দিন ৮নং ওয়ার্ড থেকে, বিএনপি নেতা দুলাল শাহ ২নং ওয়ার্ড থেকে ও পৌর মহিলা দল নেত্রী মোছাঃ আনজুয়ারা খাতুন আনজু সংরক্ষিত ৪,৫,ও ৬ নং ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করছেন। নির্বাচনে তারা জয়ী হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। তবে নির্বাচন নিয়ে এ সব নেতারা মুখ খুলতে নারাজ। বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা বলেন, কাউন্সিলর পদে নেতারা অংশ নিচ্ছেন এটা আমি দেখেছি। তবে আমরা সদ্য সম্মেলন ও কাউন্সিলের মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহন করেছি। বিষয়টি যচাই বাছাই করে সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হবে।


আরও খবর



শ্রী শ্রী লোকনাথ বাবার ১৩২ তম তিরোধান দিবসে লোকনাথ নার্সিং হোমে লোকনাথ বাবার পুজা অনুষ্ঠিত।

প্রকাশিত:Friday ০৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ১০০জন দেখেছেন
মোঃ মামুন সিকদার (ব্যবস্থাপনা পরিচালক)

Image

আজ ১৯ জ্যৈষ্ঠ বাবা লোকনাথের তিরোধান দিবস। আজও আমরা সমস্যায় পড়লে বাবা লোকনাথের একটি বাণী স্মরণ করি। লোকনাথ বাবা বলে গিয়েছেন, 'রণে বনে জঙ্গলে যখন বিপদে পরিবে, আমাকে স্মরণ করিও আমিই রক্ষা করিব।' লোকনাথ ব্রহ্মচারীর এই বাণীকে সম্বল করে আমরা কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করে এগিয়ে চলেছি।

Loknath Baba-র তিরোধান দিবস আজ। ১২৯৭ বঙ্গাব্দের ১৯ জ্যৈষ্ঠ (ইংরেজি ১ জুন ১৮৯০ খ্রিষ্টাব্দ) মহাপ্রয়ান লাভ করেন বাবা লোকনাথ। আজ ১৯ জ্যৈষ্ঠ, ৩ জুন লোকনাথ বাবার তিরোধান দিবস।


কথিত আছে, বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের বারদী আশ্রমে মহাসমাধি লাভ করেন লোকনাথ ব্রহ্মচারী। বারদীতে বসবাসকালে এক ভক্ত নিদের ছেলের যক্ষ্মা সারিয়ে দেওয়ার আর্জি নিয়ে তাঁরা কাছে আসেন। বাবা লোকনাথ বুঝতে পারেন যে সেই ছেলের আয়ু প্রায় শেষ। কিন্তু ভক্তের কল্যাণের উদ্দেশে তিনি সেই ছেলের শরীরের যক্ষ্মা নিজ শরীরে ধারণ করেন। সেই ভক্তের সন্তান ধীরে ধীরে রোগ মুক্ত হয়ে ওঠে। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই তার মৃত্যু হয়। কিন্তু যক্ষ্মা রোগ ক্রমশ বাবা লোকনাথের শরীরে বাড়তে থাকে। ১৯ জ্যৈষ্ঠ্য তিনি দেহত্যাগের কথা ঘোষণা করেন। এর পরই বারদী আশ্রমে প্রচুর ভক্ত সমাগম হয়। ১৯ জ্যৈষ্ঠ্যে দুপুর ১১টা ৪৫ মিনিটে মহাসমাধিতে মগ্ন হন লোকনাথ ব্রহ্মচারী। এ সময় তাঁর বয়স হয়েছিল ১৬০ বছর বয়স।


বাবা লোকনাথকে শিব লোকনাথও বলা হয়। নিজের উপদেশের মাধ্যমে বহু যুগ ধরে জগৎ সংসারকে সমৃদ্ধ করেছেন বাবা লোকনাথ। আজও তাঁর সেই বাণী সমান প্রাসঙ্গিক। লোকনাথ বাবার তিরোধান দিবসে তাঁর কিছু উপদেশ তুলে ধরা হল--


১. যাহারা আমার নিকট আসিয়া, আমার আশ্রয় গ্রহণ করে তাহাদের দুঃখে আমার হৃদয় আদ্র হয়। এই আদ্রতাই আমার দয়া ইহাই আমার শক্তি, যা তাদের উপর প্রসারিত হয় এবং তাহাদের দুঃখ দূর হয়।


২. সত্যের মতো পবিত্র আর কিছু নেই, সত্যিই স্বর্গ গমনের একমাত্র সোপান রূপ সন্দেহ নেই।


৩. যে ব্যক্তি সকলের সুহৃদ আর যিনি কায়মনোবাক্যে সকলের কল্যাণ সাধন করেন তিনি যথার্থ জ্ঞানী।


৪. অর্থ উপার্জন করা, তা রক্ষা করা আর তা ব্যয় করার সময় বিশ্ব দুঃখ ভোগ করতে হয়। অর্থ সকল অবস্থাতেই মানুষকে কষ্ট দেয়। তাই অর্থ ব্যয় হলে বা চুরি হলে তার জন্য চিন্তা করে কোনও লাভ নেই।


৫. গর্জন করবি কিন্তু আহাম্মক হবি না, ক্রোধ করবি কিন্তু ক্রোধান্ধ হবি না।


৬. যে ব্যক্তি কৃতজ্ঞ, ধার্মিক, সত্যচারী, উদারচিত্ত, ভক্তিপরায়ন, জিতেন্দ্রিয়, মর্যাদা রক্ষা করতে জানে আর কখনও আপন সন্তানকে পরিত্যাগ করেন না, এমন ব্যক্তির সঙ্গে বন্ধুত্ব করুন।


৭. আমিও তোদের মত খাই-দাই মল-মূত্র ত্যাগ করি। আমাকেও তোদের মতোই একজন ভেবে নিস। আমাকে তোরা শরীর ভেবে ভেবেই সব মাটি করলি আর আমি যে কে, তা আর কাকে বোঝাবো। সবাই তো ছোট ছোট চাওয়া নিয়ে ভুলে রয়েছে, জানল না প্রকৃত আমি কে?


৮. দীন দরিদ্র অসহায় মানুষের হাতে যখন যা দিবি তা আমিই পাব, আমি গ্রহণ করব। দরিদ্রতায় ভরা সমাজের দুঃখ দূর করার চেষ্টা করবি।


৯. গীতা কি আর নিত্য পাঠ করাপর জিনিস, গীতা যে গীতা। গীতা পাঠ করলে কী হবে, শোনার চেষ্টা করতে হবে। প্রতিটি জীব হৃদয়ে বসে যে ভগবান নিত্য গীতা শোনাচ্ছেন, যেদিন শুনবি সেদিন গীতা হয়ে যাবি।


১০. প্রতিদিন রাতে শোবার সময় সারাদিনের কাজের হিসেব-নিকেশ করবি। অর্থাৎ ভালো কাজ কী কী করেছিস আর খারাপ কাজ কী কী করেছিস? যে সকল খারাপ বলে বিবেচনা করলি, সে সকল কাজ আর যাতে না করতে হয় সেদিকে খেয়াল রাখবি।


১১. আমার ওপর আস্থা, বিশ্বাস, যা বাড়বে, ততই তোদের সর্ব অভীষ্ট সফল হবে।


১২. যে কর্ম মনে তাপ সৃষ্টি করে তাই পাপ। যে কর্মের মধ্য দিয়ে আত্মসচেতনতা বা শক্তির ভাব মনকে ভরিয়ে তোলে, তাই পুণ্য এবং স্বর্গ তুল্য।


১৩. আমি শরীর ছেড়ে দিয়েছি। কিন্তু ভক্তের রক্ষা করার জন্য আমি সর্বদাই ভক্তের সঙ্গে রয়েছি। তোদের চোখ নেই, তাই তো তোরা আমায় দেখেও দেখিস না।


১৪. পিতা-মাতা তাঁরা যতই বৃদ্ধ হোক না-কেন পিতামাতাই। তাঁদের খুশি করার জন্য বিরক্ত না হয়ে বার বার তাঁদের প্রশ্নের উত্তর দিবি। আর কোনও কারণ জিজ্ঞাসা না-করে তাঁদের ইচ্ছা পূরণ করার চেষ্টা করবি।


১৫. সূর্য উঠলে যেমন আধার পালিয়ে যায়, গৃহস্থের ঘুম ভেঙে গেলে যেমন চোর পালিয়ে যায়, ঠিক তেমনি বার বার বিচার করলে খারাপ কাজ করার প্রবৃত্তি পালিয়ে যাইবে।


আরও খবর



চির যৌবনপ্রাপ্ত হওয়ার নেশায় বৃদ্ধাকে হত্যা করে পুরুষাঙ্গ, অন্ডকোষ, চোখ তুলে নেওয়া খুনি ও হুকুমদাতা গ্রেফতার

প্রকাশিত:Thursday ০২ June 2০২2 | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৭৩জন দেখেছেন
শেখ মোস্তফা কামাল(যশোর জেলা প্রতিনিধি)

Image




শেখ মোস্তফা কামাল যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ-

যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার পাইকপাড়া গ্রামে নকিম উদ্দিন (৬০) নামের এক বৃদ্ধাকে খুন করে চির যৌবনপ্রাপ্ত হওয়ার নেশায় পুরুষাঙ্গ, অন্ডকোষ ও চোখ তুলে নিয়ে যাওয়া বিকৃত মনের খুনি লিটনকে (৪০) ও হুকুমদাতা কবিরাজ আঃ বারেক (৬০) কে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ। তারই পাশাপাশি নিহতের পুরুষাঙ্গ, অন্ডকোষ ও চোখের মনি এবং হত্যা কাজে ব্যবহৃত চাকু, রশি উদ্ধার করেছে। গত ১জুন দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওর থানার চরঘিওর মাঠে পুলিশ কৃষান সেজে খুনিকে এবং রাতে চুয়াডাঙ্গা জেলার লোকনাথপুর গ্রাম থেকে হুকুমদাতা ও তান্ত্রিক কবিরাজকে গ্রেফতার করে। তারা হলেন চুয়াডাঙ্গা থানার মোহাম্মদ জামা গ্রামের হানিফ আলী মালিতার ছেলে খুনি লিটন মালিতা এবং একই চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা থানার লোকনাথপুর গ্রামের মৃত মোজাম্মেল হকের ছেলে আঃ বারেক কবিরাজ।


উল্লেখ্য, গত ৩০মে (সোমবার) সকালে বাঘারপাড়া থানার পশ্চিম পাইকপাড়া গ্রামের জনৈক গৃহস্থ বেনজির আহম্মেদ এর বসতবাড়ী থেকে ধুপখালী গ্রামের মৃত দলিল উদ্দিন এর ছেলে নকিম উদ্দিন (৬০) এর মৃতদেহ উদ্ধার করে বাঘারপাড়া থানা পুলিশ।

জানা যায়, চলতি বছরের গত ২৬মে (বৃহস্পতিবার) নিহত নকিম উদ্দিন তার নিজ বাড়ীতে কাউকে কিছু না বলে বাঘারপাড়া ছাতিয়ানতলা বাজারে কৃষান দেওয়ার জন্য যায়। সেখান থেকেই নকিম উদ্দিনসহ ৩ জন কৃষানকে গৃহস্থ বেনজির আহম্মেদ তার বাড়ীতে নিয়ে যায়। এর মধ্যে ২দিন পর ১জন কৃষান চলে যায়। পরে ৩০মে (সোমবার) সকাল অনুমান ০৬:০০ ঘটিকার সময় বাড়ীওয়ালা বেনজির আহম্মেদ কৃষানদের ডাকতে গেলে সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা খুলে দেখে কৃষান নকিম উদ্দিনের মরদেহ খাটে পড়ে আছে। পাশে থাকা অজ্ঞাত কৃষানকে ঘরে নেই। খবর পেয়ে পুলিশ নিহত কৃষান নকিম উদ্দিনের সুরতহাল করতে গিয়ে দেখে তার ১টি চোখ ও পুরুষাঙ্গ নেই। আশপাশে তল্লাশী করেও নিহত নকিম উদ্দিনের ডান চোখের মনি ও পুরুষাঙ্গ খুজে পাওয়া যায় না। 

এই ঘটনা সংক্রান্তে নিহত নকিম উদ্দিনের ছেলে মোঃ মাজহারুল ইসলাম বাদী হয়ে অজ্ঞাত লোকের বিরুদ্ধে ৩১মে (মঙ্গলবার) বাঘারপাড়া থানায় একটি মামলা করেন। থানার মামলা নং-১৮।


ঘটনাটি চাঞ্চল্যকর ও মর্মান্তিক হওয়ায় জেলার পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার,বিপিএম (বার), পিপিএম ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের জন্য মামলাটি জেলা গোয়েন্দা শাখাকে তদন্তভার প্রদান করেন।


পুলিশ সুপারের দিক-নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ রুপন কুমার সরকার এর তত্ত্বাবধানে ডিবি’র এসআই মফিজুল ইসলাম ঘটনায় জড়িতদের সনাক্তপূর্বক মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মোঃ শহিদুল ইসলাম এর নেতৃত্বে একটি চৌকশ টিম গত ৩১মে (মঙ্গলবার) থেকে যশোর, মাগুরা, ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা শেষে ১জুন (বুধবার) দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওর থানার চর ঘিওর মাঠে কৃষান সেজে ঘটনার প্রধান আসামী হত্যাকারী পালিয়ে যাওয়া কৃষান লিটনকে গ্রেফতার করে। তার স্বীকারোক্তিতে নিহত কৃষান নকিম উদ্দিনের চোখের মনি, অন্ডকোষ ও পুরুষাঙ্গ একটি খড়ের পাল্লা (বিছালী) এর মধ্য থেকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামী লিটনের স্বীকারোক্তিতে ওইদিন রাতেই চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা থানার লোকনাথপুর গ্রাম থেকে হুকুম দাতা তান্ত্রিক কবিরাজ আঃ বারেককে গ্রেফতার করে। ওইসময় তার বসতঘর থেকে তান্ত্রিক কবিরাজীর বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তান্ত্রিক কবিরাজ আঃ বারেক এর নির্দেশে বিকৃত মানসিকতার অধিকারী লিটন যৌন শক্তি বৃদ্ধি ও চির যৌবন প্রাপ্ত হওয়ার নেশায় দীর্ঘদিন যাবৎ নর-হত্যা পূর্বক পুরুষাঙ্গ, অন্ডকোষ ও চোখের মনি সংগ্রহ করার চেষ্টা করে। দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করে কৃষানের কাজ, রিক্সা চালিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে টার্গেট করে। হত্যার চেষ্টা ও পুরুষাঙ্গ, অন্ডকোষ ও চোখের মনি সংগ্রহের চেষ্টার একপর্যায়ে গত ২৬মে (বৃহস্পতিবার) বাঘারপাড়া সাতিয়ানতলা বাজারে এসে কৃষান হিসেবে নিয়োজিত হওয়ার আগে নিহত কৃষান নকিম উদ্দিনের সাথে তার পরিচয় হয়। নকিম উদ্দিনকে টার্গেট করে তার সাথে গৃহস্থ বেনজির আহম্মেদ এর বাড়ীতে কৃষানের কাজে নিয়োজিত হন। পরবর্তীতে গত ২৯ মে (রবিবার) দিবাগত রাতে কবিরাজ বারেকের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করে তার নির্দেশে রশি দিয়ে নকিম উদ্দিনের গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করে বিকৃত মানসিকতার অধিকারী আসামী লিটন। হত্যা পরবর্তী পরিকল্পনা মোতাবেক লিটন নিহত কৃষান নকিম উদ্দিনের পুরুষাঙ্গ ও অন্ডকোষ কর্তন ও ডান চোখের মনি নিয়ে পালিয়ে যায়।

আসামী লিটন আরো জানায়, ইতোপূর্বে তান্ত্রিক কবিরাজ আঃ বারেক তাকে যৌন শক্তি বৃদ্ধির প্রলোভন দেখিয়ে লিটনের সাথে একাধিকবার সম-কামি যৌন সঙ্গম করে বিকৃত মানসিকতা সৃষ্টি করেন। এরপর থেকে কবিরাজ বারেকের নির্দেশে লিটন বিভিন্ন পুরুষের সাথে সম্পর্ক করে প্রকৃতির নিয়মের বাহিরে যৌন সঙ্গম করে এবং পরিকল্পনা মোতাবেক পুরুষাঙ্গ, অন্ডকোষ ও চোখের মনি সংগ্রহের নিমিত্তে নর-হত্যার চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকে।


যশোর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলন এর মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।


আরও খবর



বিজ্ঞাপন দিন সাথে থাকুন

প্রকাশিত:Monday ৩০ May ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৬১জন দেখেছেন
চ্যানেল থ্রি বাংলা অনলাইন ডেক্স

Image

বিজ্ঞাপন দিন সাথে থাকুন


আরও খবর